রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও চট্টগ্রাম পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত
আপডেটঃ ১১:৫২ পূর্বাহ্ণ | আগস্ট ২৮, ২০২৫
নিউজ ডেস্কঃ
দেশে প্রথমবারের মতো দেশের চার জেলার নির্দিষ্ট কিছু এলাকাকে ‘পানি সংকটাপন্ন এলাকা’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।জেলা গুলো হলো রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও চট্টগ্রাম।গত রোববার ঢাকার গ্রিন রোডে ওয়ারপো ভবনের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় পানি সম্পদ পরিষদের নির্বাহী কমিটির ১৮তম সভায় এ তথ্য জানানো হয়।সভায় শিল্প খাতে পানি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে ‘পানি ব্যবস্থাপনা নীতি ২০২৫’এর খসড়া প্রস্তুত চূড়ান্ত করা হয়।বাংলাদেশ পানি আইন, ২০১৩-এর ধারা ১৭ ও ১৯-এর আলোকে বিস্তারিত জরিপ ও অনুসন্ধান শেষে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলের রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার মোট ২৫ উপজেলার ২১৫ ইউনিয়নের (৪ হাজার ৯১১টি মৌজা) মধ্যে ৪৭ ইউনিয়নকে (১ হাজার ৫০৩টি মৌজা) অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
একইভাবে চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার ১৭ ইউনিয়ন (১০৪টি মৌজা) ও একটি পৌরসভার (আটটি মৌজা) মধ্যে তিন ইউনিয়ন (সাতটি মৌজা) এবং একটি পৌরসভাকে (পাঁচটি মৌজা) অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এসব এলাকায় পানি আইন অনুযায়ী পানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা হবে এবং খাওয়ার পানি, গৃহস্থালি কাজের জন্য প্রয়োজনীয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে একটি কমিটি এক মাসের মধ্যে করণীয় চূড়ান্ত করবে।এছাড়া,সভায় পানি আইন, ২০১৩-এর দুর্বল কার্যকারিতার ওপর আলোকপাত করে আইনটির প্রয়োজনীয় সংশোধনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় পানির প্রাপ্যতা যাচাই করতে নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচরে প্রয়োজনীয় সমীক্ষা চালানোর সুপারিশ করা হয়।একই সঙ্গে চলমান ৫০ জেলায় ভূগর্ভস্থ পানির প্রাপ্যতা যাচাইয়ে যে কার্যক্রম চলমান রয়েছে তা বাকি ১৪ জেলায় শুরু করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এছাড়া নির্বাহী কমিটির সভায় আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ দুটি জলাভূমি—টাঙ্গুয়ার হাওর ও হাকালুকি হাওরের জীববৈচিত্র্য ও বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পানি আইন, ২০১৩-এর ধারা ২২ ও ২৭-এর ক্ষমতাবলে প্রথমবারের মতো ‘হাওর প্রতিবেশ সুরক্ষা আদেশ’ জারির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।এর অধীনে হাওর দুটিতে পর্যটন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি কৃষি, মৎস্য ও বনায়ন খাতে করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে।
IPCS News : Dhaka : আবুল কালাম আজাদ : রাজশাহী।

