রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৬ জন গ্রেপ্তার, গাঁজা-ইয়াবা-ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার
আপডেটঃ ১:০০ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬
নিউজ ডেস্কঃ
রাজশাহী মহানগরীতে পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ফেয়ারডিল সিরাপ, গাঁজা, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) বিভিন্ন থানা-পুলিশ।অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যের পাশাপাশি মাদক বিক্রির নগদ অর্থও জব্দ করা হয়েছে।বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে ও দিনে কাশিয়াডাঙ্গা, চন্দ্রিমা, মতিহার ও বোয়ালিয়া থানা এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।পুলিশ জানায়, পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাঁচ বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ, চার কেজি ৩৩০ গ্রাম গাঁজা, ৭০ পিস ইয়াবা এবং ২১ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
এছাড়া মাদক বিক্রির নগদ ১০ হাজার ১৫০ টাকা জব্দ করা হয়।কাশিয়াডাঙ্গা থানা-পুলিশ রাত পৌনে ৯টার দিকে নবগঙ্গা বটতলার মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. ইউসুফ আলী (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে।তার কাছ থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা পাঁচ বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ উদ্ধার করা হয়।
চন্দ্রিমা থানা-পুলিশ বিকেল ৫টার দিকে মুশরইল গীর্জার পূর্বপাশ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. আব্বাস আলী (৩৫)কে গ্রেপ্তার করে।পরে তার বসতবাড়ি তল্লাশি করে দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে একই এলাকার রুপা খাতুন (৩২) পালিয়ে যান।গ্রেপ্তার আব্বাসের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রুপার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আরও দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ বলছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আব্বাস ও পলাতক রুপার পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা পরিচালনার তথ্য পাওয়া গেছে।একই থানা-পুলিশ বিকেল সোয়া ৪টার দিকে জামালপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. আয়নাল হক (৫৩)কে গ্রেপ্তার করে।তার ভাড়া বাসা থেকে ২৫০ গ্রাম গাঁজা ও মাদক বিক্রির নগদ ৮ হাজার ১০০ টাকা জব্দ করা হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, আয়নালের বিরুদ্ধে চন্দ্রিমা থানায় মাদকসংক্রান্ত পাঁচটি মামলা রয়েছে।এদিকে মতিহার থানা-পুলিশ দুপুর ১২টার দিকে খোঁজাপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশু নজরুলকে (ছদ্মনাম) গ্রেপ্তার করে।তার কাছ থেকে তিন পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও ৮০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া ২২ সেপ্টেম্বর রাতে চন্দ্রিমা থানা-পুলিশ মেহেরচন্ডী পূর্বপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. জাহিদ ইসলাম ওরফে ইমন (২৫)কে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে ১৮ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির দুই হাজার ৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়।পুলিশের দাবি, ইমনের বিরুদ্ধে মতিহার থানায় পেনাল কোড আইনে একটি মামলা রয়েছে।
অন্যদিকে বোয়ালিয়া থানা-পুলিশ রাত ১১টার দিকে খরবোনা নদীর ধার এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. সোহান আলী (২৩)কে গ্রেপ্তার করে।তার বসতবাড়ি থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে।
পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
IPCS News : Dhaka : আরএমপি নিউজ : রাজশাহী।

