মনোহরদীতে গ্যাস সংকটে স্থবির পরিবহন, সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ সারি
আপডেটঃ ১২:৪৫ অপরাহ্ণ | আগস্ট ১৮, ২০২৬
নিউজ ডেস্কঃ
নরসিংদীর মনোহরদীতে গ্যাস সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।উপজেলার একমাত্র আনোয়ার অ্যান্ড সিএনজি ফিলিং স্টেশনে প্রতিদিন শত শত গ্যাসচালিত যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে।সরবরাহ সংকটের কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও চালকরা প্রয়োজনীয় পরিমাণ গ্যাস পাচ্ছেন না।এতে ব্যাহত হচ্ছে যাত্রী পরিবহন ও স্বাভাবিক যান চলাচল।চালকদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়ানোর পর একটি গাড়িতে ৫০ থেকে ১০০ টাকার বেশি গ্যাস দেওয়া হচ্ছে না।কোনো কোনো ক্ষেত্রে ১০০ থেকে ২০০ টাকার গ্যাস মিলছে।ফলে অল্প গ্যাস নিয়ে আবারও স্টেশনে ফিরে আসতে হচ্ছে।
এতে একদিকে যেমন কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে কমে যাচ্ছে চালকদের দৈনিক আয়।গ্যাস সংকটে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন সিএনজি অটোরিকশা, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকারসহ বিভিন্ন গ্যাসচালিত যানবাহনের চালকরা।অনেক চালক পর্যাপ্ত গ্যাস না থাকায় মাঝপথেই যাত্রী নামিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন বলে জানা গেছে।
এতে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগীসহ সাধারণ যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মহেশখালীর একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে যান্ত্রিক ত্রুটি, দেশের বিভিন্ন গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদন কমে যাওয়া এবং সীমিত সরবরাহ ব্যবস্থার কারণে গ্যাসের সংকট তৈরি হয়েছে।এর প্রভাব পড়েছে মনোহরদীসহ আশপাশের এলাকায়।
বিশেষ করে ঢাকা–কিশোরগঞ্জ ও মঠখোলা সড়কে গ্যাসচালিত যানবাহন চলাচল ব্যাহত হওয়ায় যাত্রীদের দুর্ভোগ বেড়েছে।একাধিক চালক বলেন, ‘গ্যাসের জন্য প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।এত কম গ্যাস দিয়ে গাড়ি চালানো সম্ভব নয়।গ্যাস নিতে গিয়ে দিনের একটি বড় অংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।অথচ সংসারের খরচ ঠিকই বাড়ছে।
স্থানীয়রা বলছেন, দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।বিশেষ করে দূরপাল্লার ও আঞ্চলিক সড়কে যাত্রী পরিবহন ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।এ অবস্থায় গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ দাবি করেছেন চালক ও সাধারণ যাত্রীরা।
IPCS News : Dhaka : মোঃ তাজুল ইসলাম বাদল : নরসিংদী।

