মনোহরদীতে জমি বিরোধে বিল্ডিং ঘর ভাঙচুর ও কলাবাগান কাটার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ
আপডেটঃ ৩:৫৪ অপরাহ্ণ | জুলাই ১৩, ২০২৬
নিউজ ডেস্কঃ
নরসিংদীর মনোহরদী পৌরসভার সল্লাবাইদ এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে একটি টিনশেড বিল্ডিং ঘর ভাঙচুর, দরজা-জানালা খুলে নিয়ে যাওয়া এবং কলাবাগান কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় মনোহরদী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন শহিদুল্লাহ (৫৫), মৃত সুরুজ আলীর ছেলে।অভিযোগে একই এলাকার মৃত হযরত আলীর ছেলে লোকমান হোসেন (৪৭)-কে অভিযুক্ত করা হয়েছে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিরোধপূর্ণ ৪ শতাংশ জমিটি প্রথমে পৈত্রিক সূত্রে মালিকানা পান লোকমান হোসেন।পরে তিনি জমিটি অ্যাডভোকেট নয়ন মোল্লার কাছে বিক্রি করেন।
পরবর্তীতে নয়ন মোল্লা জমিটি তার স্ত্রী শিরিনা পারভীন রোজীর নামে হস্তান্তর করেন।এরপর শিরিনা পারভীন রোজীর কাছ থেকে সাব-কওলা দলিলের মাধ্যমে জমি এবং সেখানে থাকা দুই চালা টিনশেড বিল্ডিংটি ক্রয় করেন শহিদুল্লাহ।অভিযোগকারী দাবি করেন, বৈধ দলিলের মাধ্যমে তিনি বর্তমানে জমি ও ঘরটির দখল ও ভোগদখলে রয়েছেন।
লিখিত অভিযোগে শহিদুল্লাহ উল্লেখ করেন, শিরিনা পারভীন রোজী যাতে তার কাছে জমিটি বিক্রি না করেন, সে জন্য অভিযুক্ত লোকমান হোসেন বিভিন্ন সময় চাপ প্রয়োগ ও নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার চেষ্টা করেন।কিন্তু তার কাছে জমি বিক্রি না হওয়ায় লোকমান ক্ষুব্ধ হয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে ক্ষতিসাধনের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ৯ জুলাই ২০২৬ রাতের আঁধারে লোকমান হোসেন কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে অভিযোগকারীর বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করেন।এ সময় সেখানে থাকা দুই চালা টিনশেড বিল্ডিংটি ভাঙচুর করা হয়।পাশাপাশি ঘরের দরজা-জানালা খুলে নিয়ে যাওয়া এবং বাড়ির সামনে থাকা কলাবাগান কেটে ফেলার অভিযোগও করা হয়েছে।
এতে প্রায় ৭০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারী।ঘটনার পর আইনগত প্রতিকার চেয়ে মনোহরদী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন শহিদুল্লাহ।তিনি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে মনোহরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, “এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।
অভিযোগটি তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা যাচাই করা হবে।অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত লোকমান হোসেনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
IPCS News : Dhaka : মোঃ তাজুল ইসলাম বাদল : নরসিংদী।

