মঙ্গলবার ২০শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৪ঠা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

দিনাজপুরে প্রকৃতিজুড়ে শীতের আগমনী সুর

আপডেটঃ ১২:২২ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ১৯, ২০২৬

নিউজ ডেস্কঃ

সকালের শিশিরকণা জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা।দিন শেষে সূর্য যখন পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়ে, তখন উত্তর জনপদের দিনাজপুর অঞ্চলে সন্ধ্যার পরই বদলে যেতে শুরু করে প্রকৃতি।দুপুরের খরতাপ ও তীব্র রোদ মিলিয়ে যাওয়ার পর চারপাশে নেমে আসে নীরবতা ও শীতলতা।রাত যত গভীর হয়, উত্তরের হিমেল বাতাস ততই শীতের আগমনের আভাস দেয়।কার্তিকের এ সময়ে দিনাজপুরে আগাম শীতের হাওয়া ছুঁয়ে গেছে পথঘাট, মাঠ-প্রান্তর ও জনপদ।দিনের বেলায় ভ্যাপসা গরম অনুভূত হলেও ভোরের সূর্য ওঠার আগে চারপাশ ঢেকে যাচ্ছে ধোঁয়াটে কুয়াশার চাদরে।

গাছের পাতা, মাকড়সার জাল ও ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশিরবিন্দু সকালের রোদে মুক্তার মতো ঝিকমিক করে ওঠে।প্রকৃতির এমন রূপবদল জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা।প্রকৃতির এ পরিবর্তনের প্রভাব পড়েছে স্থানীয় মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায়ও।দিনের গরম কমে রাতের তাপমাত্রা নেমে আসায় অনেকেই অনুভব করছেন শীতের আমেজ।

শীতের আগমনে বিকেলের দিকে বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে শুরু হয়েছে পিঠাপুলির দোকান।অন্যদিকে, ভোরের কুয়াশা উপেক্ষা করে মাঠে কাজে নেমে পড়ছেন কৃষিশ্রমিকেরা।জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন ভোরেই কাজে বের হতে হয় তাঁদের।তবে ভোরের দিকে কুয়াশা ও হালকা ঠান্ডার কারণে কাজে কিছুটা অসুবিধা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

বীরগঞ্জ উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দা জাহিদুল জানান, কয়েক দিন আগেও এমন গরম ছিল যে দিন-রাত ফ্যান না চালালে ঘুমানো কঠিন হতো।এখন রাত গভীর হলেই হালকা ঠান্ডা অনুভূত হয়।তাই রাতে ফ্যান বন্ধ করে ঘুমাতে হচ্ছে।কৃষিশ্রমিক রফিকুল ইসলাম বলেন, পেটের তাগিদে খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে কাজে যেতে হয়।

কিন্তু এখন ভোরের দিকে কুয়াশা ও হালকা ঠান্ডার মধ্যে কাজ করতে কিছুটা অসুবিধা হচ্ছে।দিনাজপুরের প্রকৃতিতে শিশিরভেজা ভোর, হালকা কুয়াশা ও হিমেল বাতাসের উপস্থিতি ঋতু পরিবর্তনের বার্তা দিচ্ছে।ধীরে ধীরে শীতের আমেজ ছড়িয়ে পড়ছে উত্তর জনপদের জনজীবনে।

IPCS News : Dhaka : আব্দুস সালাম, দিনাজপুর।