সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আন্তর্জাতিক খতমে নবুয়ত মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত
আপডেটঃ ১২:০৩ অপরাহ্ণ | নভেম্বর ১৫, ২০২৫
নিউজ ডেস্কঃ
রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সম্মিলিত খতমে নবুওয়ত পরিষদের উদ্যোগে শনিবার সকালে শুরু হয়েছে ‘আন্তর্জাতিক খতমে নবুয়ত মহাসম্মেলন’। সকাল ৯টায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়া এ সম্মেলনে বাংলাদেশসহ পাঁচটি দেশের শীর্ষ আলেমরা অংশ নিচ্ছেন। কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এ মহাসম্মেলনে যোগ দিতে ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আলেম-ওলামা ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ঢল নেমেছে উদ্যানে।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, সম্মেলনে অংশ নিতে ইতোমধ্যে ঢাকায় পৌঁছেছেন পাকিস্তানের জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা ফজলুর রহমান, ভারতের জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি মাওলানা সাইয়্যিদ মাহমুদ মাদানি, পাকিস্তানের বেফাকুল মাদারিসের মহাসচিব মাওলানা হানিফ জালন্ধরি, ইন্টারন্যাশনাল খতমে নবুওয়ত মুভমেন্টের ওয়ার্ল্ড নায়েবে আমির শায়খ আব্দুর রউফ মক্কি, পাকিস্তানের ইউসুফ বিন্নুরী টাউন মাদ্রাসার নায়েবে মুহতামিম ড. আহমাদ ইউসুফ বিন্নুরী, মাওলানা ইলিয়াছ গুম্মান এবং মিসরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুসআব নাবীল ইবরাহিম।
বাংলাদেশ থেকেও যোগ দিচ্ছেন হেফাজতে ইসলামের আমির মাওলানা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, আল হাইয়াতুল উলিয়া ও বেফাকের চেয়ারম্যান মাওলানা মাহমুদুল হাসান, বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আব্দুল মালেক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি রেজাউল করীম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ শতাধিক আলেম। মহাসম্মেলনের সভাপতিত্ব করছেন সম্মিলিত খতমে নবুয়ত পরিষদের আহ্বায়ক ও খতমে নবুয়ত সংরক্ষণ কমিটি বাংলাদেশের আমির, মধুপুরের পীর মাওলানা আবদুল হামিদ।
এদিকে সকাল থেকেই উদ্যানে বিপুল মানুষের উপস্থিতি ঐতিহাসিক জায়গাটিকে ধর্মীয় উচ্ছ্বাসে মুখর করে তুললেও, বাইরে কিছু এলাকায় বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। কাদিয়ানি জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগে কয়েকটি নাগরিক দলের ছোট আকারের বিক্ষোভ দেখা যায়। যদিও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং কোনো বড় ধরনের অস্থিতিশীলতার খবর পাওয়া যায়নি।
আয়োজক কমিটি বলছে, খতমে নবুওয়তের আকিদা রক্ষায় বৈশ্বিক ঐক্য গড়ে তুলতেই এই মহাসম্মেলন আয়োজন। দিনের শেষে লাখো মানুষের উপস্থিতি উদ্যানে এক ঐতিহাসিক পরিবেশ সৃষ্টি করবে বলেও তাদের প্রত্যাশা।
IPCS News : Dhaka :

