মঙ্গলবার ৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২২শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

স্প্রিং সংকটে মেরামত করা যাচ্ছেনা ট্রেনের কোচ

আপডেটঃ ২:৩০ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৫

নিউজ ডেস্কঃ

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার ইয়ার্ডে কয়েক মাস ধরে পড়ে আছে তিনটি ট্রেনের কোচ।স্প্রিং সংকটের কারণে কোচগুলো মেরামত করা যাচ্ছে না।প্রতিটি কোচ আমদানি করা হয়েছিল ইন্দোনেশিয়া থেকে, ব্যয় হয়েছিল প্রায় ২ কোটি টাকা করে।খোলা জায়গায় দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় কোচগুলোতে মরিচা ধরছে, নষ্ট হচ্ছে যন্ত্রাংশও।জানা গেছে, স্প্রিং আমদানিনির্ভর হওয়ায় দরপত্রের জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতায় এ সমস্যা দেখা দিয়েছে।এতে শুধু তিনটি কোচ নয়, মেরামতের অপেক্ষায় থাকা আরও কোচ নির্ধারিত সময়ে সার্ভিসিং করা যাচ্ছে না।ফলে দৈনিক মেরামতের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে হিমশিম খাচ্ছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।২০০৬ সালে বাংলাদেশ রেলওয়ে ইন্দোনেশিয়া থেকে ৫০টি ব্রডগেজ কোচ আমদানি করে।এর মধ্যেই ছিল বরেন্দ্র এক্সপ্রেসে ব্যবহৃত এই তিনটি কোচ।

প্রায় তিন মাস আগে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে সে গুলো মেরামতের জন্য সৈয়দপুরে পাঠানো হয়।কিন্তু স্প্রিংয়ের অভাবে কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।বর্তমানে বরেন্দ্র এক্সপ্রেস মাত্র ছয়টি কোচ নিয়ে চলাচল করছে, ফলে যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ছে।কারখানার ইয়ার্ডে গিয়ে দেখা গেছে, কোচ গুলোর ভেতরে ও বাইরে মরিচা ধরেছে, আশপাশে আগাছা গজিয়েছে।

কারিগরি দপ্তরের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ২০০৬ সালে আমদানি হওয়ার পর থেকে এসব কোচে আর স্প্রিং পরিবর্তন করা হয়নি।রেলওয়ে কারখানার ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী শাহিনুর আলম শাহ বলেন, স্প্রিং কোচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।এগুলো ক্ষয়প্রাপ্ত হলে চলাচলের সময় আগুন লাগার ঝুঁকিও থাকে।

নিয়ম অনুযায়ী পাঁচ বছর পরপর স্প্রিং বদলাতে হয়।কিন্তু বরেন্দ্র এক্সপ্রেসের ওই তিনটি কোচের স্প্রিং সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে।এ বিষয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) শাহ সুফী নুর মোহাম্মদ বলেন, স্প্রিং সংকটে কোচ মেরামত ব্যাহত হচ্ছে।বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে, দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।

IPCS News : Dhaka : আবুল কালাম আজাদ : রাজশাহী।