মঙ্গলবার ৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২২শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
ডিসেম্বর ২০, ২০২৫
নিউজ ডেস্কঃ
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির ওপর হামলা ও হত্যাকাণ্ডকে কাপুরুষোচিত আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা ও ঘৃণা প্রকাশ করেছে বিএনপি। একই সঙ্গে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংবাদমাধ্যম, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও কূটনৈতিক স্থাপনায় হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাকেও গভীর উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছে দলটি। বিএনপির ভাষ্য অনুযায়ী, এসব সহিংসতা প্রমাণ করে একটি পুরনো ও চিহ্নিত মহল পরিকল্পিতভাবে দেশকে নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
শুক্রবার রাতে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রতিক্রিয়া জানানো হয়। লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর...
ডিসেম্বর ২০, ২০২৫
নিউজ ডেস্কঃ
লন্ডন সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরেই শহীদ শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ দেখতে গেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার সকালে ঢাকায় পৌঁছেই তিনি সরাসরি হাদির মরদেহের কাছে যান এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বার্তায় জামায়াত আমির জানান, শহীদ হাদির জানাজায় অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যেই তিনি বিদেশ সফর সংক্ষিপ্ত করেছেন। তিনি লেখেন, সকালে ঢাকায় অবতরণের পর বিমানবন্দর থেকে সরাসরি শহীদ ওসমান হাদির কাছে গিয়েছেন। পরিবারের সঙ্গে কথা হলেও এই গভীর শোকের মুহূর্তে সান্ত্বনা জানানোর মতো ভাষা খুঁজে পাননি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি কোনো দল বা মতের প্রতিনিধিত্ব করেন না, তিনি দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণমানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তার জানাজায় দল-মতের...
ডিসেম্বর ২০, ২০২৫
নিউজ ডেস্কঃ
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই অভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে নতুন মোড় নিয়েছে তদন্ত। গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে এ হত্যার নেপথ্যে ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম উঠে এসেছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, হত্যাকাণ্ড বাস্তবায়নে অর্থ ও অস্ত্রের জোগানসহ পুরো কিলিং মিশনের মূল পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন তিনিই।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, শাহীন চেয়ারম্যান একা নন, এ হত্যাকাণ্ডে তার সহযোগী হিসেবে আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য মিলেছে, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতারাও রয়েছেন। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, হাদির ওপর হামলার পর ঘাতকদের ঢাকা থেকে সীমান্তের দিকে নিরাপদে পালাতে সহায়তা করেন গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদ। বর্তমানে তাকে...