সৌদি যুবরাজের ‘ওয়ার্কিং ভিজিট’কে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দিচ্ছে হোয়াইট হাউস
আপডেটঃ ১১:০০ পূর্বাহ্ণ | নভেম্বর ১৭, ২০২৫
নিউজ ডেস্কঃ
আগামী সপ্তাহে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ওয়াশিংটন সফরকে কেন্দ্র করে হোয়াইট হাউসের প্রস্তুতি এখন প্রায় রাষ্ট্রীয় সফরের সমান মর্যাদায় উন্নীত হয়েছে।যদিও অনুষ্ঠানটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ওয়ার্কিং ভিজিট’ বলা হচ্ছে, মার্কিন প্রশাসন এটিকে যুবরাজকে সম্মান জানানো এবং দুই দেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার বিশেষ সুযোগ হিসেবে দেখছে।প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, এই সফর কেবল একটি বৈঠক নয় এটি সৌদি আরব ও যুবরাজ মোহাম্মদকে সম্মান জানানোর উপলক্ষ।অনলাইন সৌদি গেজেটও জানিয়েছে, সফরকে কেন্দ্র করে হোয়াইট হাউস এমন প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা সাধারণত রাষ্ট্রীয় সফরে দেখা যায়।
হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, মঙ্গলবার যুবরাজের দিন শুরু হবে সাউথ লনে একটি বিশেষ আগমন-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। এরপর সাউথ পোর্টিকোতে তাকে দেওয়া হবে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা। অভ্যর্থনা শেষে ওভাল অফিসে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও যুবরাজ মোহাম্মদ। বৈঠক শেষে ক্যাবিনেট রুমে দুটি দেশের মধ্যে অর্থনীতি ও প্রতিরক্ষা খাতে একাধিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। পরে তাকে মধ্যাহ্নভোজে আপ্যায়ন করবে হোয়াইট হাউস।দিনের আনুষ্ঠানিকতার ধারাবাহিকতায় সন্ধ্যায় ইস্ট রুমে অনুষ্ঠিত হবে যুবরাজের সম্মানে বিশেষ নৈশভোজ, যা আয়োজন করছেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। নৈশভোজে দুই দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নেতাদের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।বুধবার যুবরাজ যোগ দেবেন কেনেডি সেন্টারে আয়োজিত মার্কিন–সৌদি বিজনেস কাউন্সিলের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে, যেখানে দুই দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতারা আলোচনায় অংশ নেবেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সেখানে উপস্থিত থাকবেন কিনা তা এখনও নিশ্চিত না হলেও সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
গালফ দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বিতীয় মেয়াদের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তার প্রথম বড় বিদেশ সফরই ছিল মধ্যপ্রাচ্যমুখী—সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতার। রিয়াদ সফরের সময় তাকে এসকর্ট করেছিল রয়্যাল সৌদি এয়ার ফোর্সের এফ-১৫ জেট, এবং তিনি অংশ নিয়েছিলেন রাজকীয় ভোজে। সেখানেই যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে ‘অসাধারণ মানুষ’ এবং ‘আমার বন্ধু’ বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প, যা দুই দেশের ব্যক্তিগত ও কূটনৈতিক সম্পর্ককেই আরও ঘনিষ্ঠ করে তোলে।
IPCS News : Dhaka :

