রবিবার ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ ১০ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

গুলশান-বনানীতে ম্যাসাজ ও বিউটি পার্লারে তালা ঝুলছে

আপডেটঃ ১:০১ অপরাহ্ণ | আগস্ট ১০, ২০২১

নিউজ ডেস্কঃ

গুলশান-বনানীর অধিকাংশ ম্যাসাজ ও বিউটি পার্লারে এখন তালা ঝুলছে, মডেল মরিয়ম আক্তার মৌ ও ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা গ্রেফতারের পর । যারা কাজ করেন এসব ম্যাসাজ ও বিউটি পার্লারে তারা বেশিরভাগই নারী।পুরুষদের শরীর ম্যাসাজসহ অনৈতিক কাজে জড়িত তারা।একটি গোয়েন্দা সংস্থার হাতে গুলশান-বনানী এলাকার ম্যাসাজ ও বিউটি পার্লারের তালিকা রয়েছে।এর মধ্যে কেবল গুলশানেই এমন ৩০টি প্রতিষ্ঠান আছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।এর ১০ টিতে অনৈতিক কাজ হয়।থাই নাগরিকসহ বিদেশিরাও এসব অনৈতিক কাজে জড়িত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।গুলশান বনানী রোডের একটি ভবনের ১১ তলার একটি ‘হেলথ ক্লাব এন্ড স্পা,যাতে ১৬ জন স্টাফ রয়েছে,এদের মধ্যে ১০ জনই মহিলা।পুরুষদের শরীর ম্যাসাজসহ অনৈতিক কাজ করানো হয় যাদের দিয়ে।এছাড়া গুলশান-২ এর ৪১ নং সড়কের একটি বাসার ২য় তলায় একটি ‘স্পা ম্যাসাজ পার্লার’আছে,সেখানে ৯ জন স্টাফের ৮জনই নারী,যারা এই অনৈতিক কাজে জড়িত। 

গুলশান-২ এর ৩৫ নং সড়কের একটি ভবনের চতুর্থ তলায়‘রোজ স্পা’নামের একটি প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে।তার মোট ৮ জন স্টাফের ৫ জনই মহিলা।রয়েছে তালিকায় গুলশান-২এর ৪১নং সড়কের একটি ভবনের ২য় তলার ‘স্পা এন্ড সেলুন’এর মালিক একজন থাই নাগরিক।যেখানে ১৬ জন স্টাফের ১৩জনই মহিলা।মালিকসহ চারজনই থাই নাগরিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও নাম রয়েছে-গুলশান-১ এর একটি টাওয়ারের ‘হেলথ ক্লাব স্পা এন্ড সেলুন’যার ৬ জন স্টাফের ৪ জনই মহিলা,গুলশান-১ এর আরেকটি টাওয়ারের লিফট-২০ এর ‘রেসিডেন্স সেলুন’ যার স্টাফ কেবল দুইজন পুরুষ ,এখানে বহিরাগত মহিলাদের এনে অনৈতিক কাজ হয়। গুলশান-১ এর ১৬ নং সড়কের একটি ভবনের পাঁচ তলায় ‘শাইনিং স্পা’,যার মধ্যে ছয় জন মহিলা ও তিনজন পুরুষ।

গুলশান-২ এর ৪৪ নং সড়কের একটি ভবনের চতুর্থ তলায় একটি ‘থাই স্পা’ যাতে ৭ জন মহিলা ও ২ জন পুরুষ রয়েছে।গুলশান-১ এর ১৩১ নং সড়কের একটি বাড়িরর চতুর্থ তলার ‘বিউটি কেয়ার’যেখানে ৬ জন পুরুষ ও ৮ জন মহিলা।অনেক পার্টি হাউস ও সিসা লাউঞ্জের নিয়ন্ত্রকরা ও ভয়ে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে গা-ঢাকা দিয়েছে।

গোয়েন্দা তথ্য অনুষারে,বনানীর ১১ নম্বর সড়ক ঘিরেই ১৩টি সিসা লাউঞ্জ গড়ে ওঠে।এরা অবৈধ মাদক কারবারেও জড়িত।সরেজমিনে দেখা যায়,এখন তালা ঝুলছে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানেই।নিরাপত্তা রক্ষীরা জানান, প্রতিষ্ঠানের মূল গেট বন্ধ করে লকডাউনে ও ভিতরে তাদের কাজ চলত।সেবা গ্রহীতারা, প্রতিষ্ঠানটির মালিক,ও কর্মচারী কেউই আসছে না এক সপ্তাহ ধরে।

IPCS News/রির্পোট।dhaka.