বুধবার ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ৭ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

৪ দিনের রিমান্ডে,ভুঁইফোড় সংগঠনের সভাপতি ‘দর্জি মনির’

আপডেটঃ ৫:২৬ অপরাহ্ণ | আগস্ট ০৪, ২০২১

নিউজ ডেস্কঃ

সামান্য দর্জি দোকানি থেকে বড়নেতা বনে যাওয়া মনির খান ওরফে দর্জি মনিরকে বুধবার (৪ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ধীমান চন্দ্র মণ্ডল রিমান্ডের আদেশ দেন।আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদ’ নামে একটি ভুঁইফোড় সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মনির খান ওরফে দর্জি মনিরকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আটক করা হয়।এ মামলায় ৪ দিনের রিমান্ডে পেয়েছে ডিবি পুলিশ।তাকে আদালতে হাজির করে ১০দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের উপপরিদর্শক সাইফুল ইসলাম।শুনানি শেষে বিচারক চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেন।ইসমাঈল হোসেন নামে ওই এলাকার এক ব্যক্তি দর্জি মনিরের নামে মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) কামরাঙ্গীরচর থানায় একটি মামলা করেন।

মামলায় তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩৮৫ ধারাসহ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৩/২৪/২৫/২৯/৩১/৩৫ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।মামলার অভিযোগে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়,স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকসহ অনেক মন্ত্রী-এমপির সঙ্গে নিজের ছবি কম্পিউটার সফটওয়্যার মাধ্যমে এডিট করে বসাতেন মনির।এভাবে নিজেকে ‘বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদ’ নামে ভূঁইফোড় সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির পরিচয় দিতেন।

সেই পরিচয়ে নিজেকে বড়নেতা সাজিয়ে নানাভাবে করতেন চাঁদাবাজি।তিনি সামান্য দর্জি দোকানি থেকে বড়নেতা বনে যাওয়া মনির খান ওরফে দর্জি মনির।মনির এবং তার সহযোগীরা ঢাকা মহানগরীতে এবং বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় কমিটি দেওয়ার নাম করে অনেকের কাছ থেকে টাকা নেন।তিনি তার ভূঁইফোড় সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় এবং রাজনৈতিক নেতাদের নাম করে অর্থ আদায়, বিভিন্ন চাকরি দেওয়া এবং পদায়নের জন্য লোকজনের কাছ থেকে টাকা আদায় করেন।

ঈসমাইল হোসেন বলেন,গত ৩০ জুলাই দুপুর আড়াইটার দিকে কামরাঙ্গীরচর থানার মাদবর বাজার ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডে মনির তার সংগঠনের পদ প্রদান এবং বড় বড় নেতাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক করিয়ে দেয়ার নাম করে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।তিনি ডিজিটাল জালিয়াতির মাধ্যমে ছবি এডিট করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে নিজের ছবি বসিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই ছবি প্রচার করে সাধারণ মানুষকে ঠকিয়ে আসছেন।এভাবে নিজেকে বড় মাপের নেতা হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা করতেন।

IPCS News/রির্পোট।dhaka