বুধবার ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ৭ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

টিকা গ্রহণকারী ৯৮ শতাংশের শরীরে এন্টিবডির উপস্থিতি

আপডেটঃ ৫:৩২ অপরাহ্ণ | আগস্ট ০২, ২০২১

নিউজ ডেস্কঃ

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা গ্রহীতাদের ৯৮ শতাংশের শরীরে এন্টিবডির উপস্থিতি পাওয়া গেছে।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) প্রকাশিত টিকাসংক্রান্ত একটি গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেছেন,যারা পূর্বেই কভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছিলেন,তাদের শরীরে তুলনামূলক বেশি এন্টিবডি রয়েছে।তিনি বলেন, টিকা নিলে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুঝুঁকি একেবারেই কম।কোনো ধরনের আতঙ্ক নয়।অবশ্যই করোনাভাইরাসের টিকা নিতে হবে।তিনি বলেন, গবেষণা থেকে জনগণের উপর টিকা প্রয়োগে কার্যকর এন্টিবডি তৈরির প্রমাণ পাওয়া গেছে।তবে সময়ের সাথে এন্টিবডির উপস্থিতির পরিবর্তন এবং পাশাপাশি টিকাদান কর্মসূচিতে নতুন অন্তর্ভুক্ত অন্যান্য টিকার এন্টিবডি তৈরির কার্যক্ষমতা পর্যালোচনার জন্য আরও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

বিএসএমএমইউ সূত্র জানায়,অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউটের তৈরি অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা গ্রহণকারী ২০৯ জন টিকা গ্রহীতার মাঝে পরিচালিত গবেষণায় এই তথ্য পাওয়া যায়।চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত কভিড-১৯ এর টিকা গ্রহণকারীদের উপর এই গবেষণা পরিচালিত হয়।গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে তিন-চতুর্থাংশ পুরুষ এবং অর্ধেকের বেশি স্বাস্থ্য সেবা দানের সাথে জড়িত।

অংশ গ্রহণকারীদের মধ্যে ৩১শতাংশের পূর্বে কভিড-১৯ সংক্রমিত হবার ইতিহাস আছে।অর্ধেকেরও বেশি অংশগ্রহণকারী পূর্ব থেকেই ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হাঁপানীসহ অন্যান্য রোগে ভুগছিলেন।তবে এ ধরনের রোগের কারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই টিকা গ্রহণের পর এন্টিবডি তৈরিতে কোনো পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়নি।

৪২শতাংশ অংশগ্রহণকারী টিকাগ্রহণের পরে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হিসেবে সামান্য জ্বরসহ মৃদু উপসর্গের কথা জানিয়েছেন।রক্ত জমাট বাঁধা বা এরকম অন্য কোনো জটিল পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া গবেষণার সময়ে পরিলক্ষিত হয়নি।Haematological Parameters and Antibody Titre After Vaccination Against SARS-CoV-2’ শীর্ষক গবেষণায় নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো.শরফুদ্দিন আহমেদ।

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ হোসেন,প্রোভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা.একেএম মোশাররফ হোসেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের হেমাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. সালাহউদ্দীন শাহ সহগবেষক হিসেবে প্রকল্পটিতে যুক্ত ছিলেন।

 IPCS News/রির্পোট।dhaka