মঙ্গলবার ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

ইয়াসের প্রভাব কাটতেই জমজমাট রাজশাহীর আমবাজার

আপডেটঃ ১:৪৩ অপরাহ্ণ | মে ৩০, ২০২১

নিউজ ডেস্কঃ

ইয়াসের প্রভাব গত ৩ দিনে তেমন জমে ওঠেনি রাজশাহীর আমবাজার।তবে গতকাল ২৮ মেয়ে থেকে জমে উঠতে শুরু করেছে বাজার গুলি।ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের কারণে ৩ দিন ধরে রাজশাহী অঞ্চল মেঘাচ্ছন্ন, মাঝে মধ্যে হালকা বৃষ্টির সাথে হালকা ঝড়ো প্রবাহিত হচ্ছে।আর তার প্রভাব পড়েছে আম -লিচু বাগান ও বাজারগুলোতে।স্থানীয় বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার কারণে বড় গাছগুলো থেকে আম নামানো (পাড়া) ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।যার কারণে ফলের আড়ৎগুলোতে চাহিদা মোতাবেক আম আসছে না।২৮ মে শুক্রবার সকাল বেলা ১২ টার সময় সরজমিনে ‌জেলার সর্ববৃহৎ আমের বাজার বানেশ্বর হাট ঘুরে দেখা গেছে, গত কয়েক দিনের তুলনায় আমের আমদানী অনেকটা কম।ইতিমধ্যে প্রশাসনের নিদের্শনা মোতাবেক সকল প্রকার গুটি আম বেচা কেনা চলছে পুরোদমে।

সেই সাথে ২৫ মে থেকে গোপাল ভোগ ও রাণীপছন্দ আম বাজারে আসছে।তবে গত তিন দিন থেকে বাজারে চাহিদা অনুসারে আমের‌ আমদানির পরিমাণে অনেক কম।২৮ মে শুক্রবার  থেকে  বাজারে এসেছে আম পিপাসুদের প্রতীক্ষিত সুস্বাদু হিমসাগর বা ক্ষিরসাপাত আম।উপজেলার ভালুকগাছি, নওদাপাড়া গ্রাম থেকে আম বিক্রি করতে আসা ধলু শেখ বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় গুড়িগুড়ি বৃষ্টিতে গাছ ভেজা পিচ্ছল হয়েগেছে।তার ওপর মাঝে মধ্যে জোরে জোরে দমকা বাতাস বয়ে যাবার কারণে গত ৩ দিন থেকে গাছ থেকে আম নামানো শ্রমিকেরা ঝুঁকি নিয়ে  বড় গাছে উঠতে চাচ্ছেন না।তবে ছোট, ছোট গাছের  নিচে থেকে যদ্দুর সম্ভব আম নামাতে পেরেছি তাই বাজারে নিয়ে আসলাম।

সিরাজগঞ্জ থেকে আগত আমব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন, গতকাল এই আম বাজারে বিক্রেতার চেয়ে ক্রেতার সংখ্যা অনেক বেশি ছিল।তবে আশা করছি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আজ ২৮ মে শুক্রবার থেকে বাজারে ভরপুর আম আসবে।বানেশ্বর বাজারের আম আড়তদার মোমিনুল হক বলেন, বিগত বছরের তুলনায় এ বছর এখনো পুরোদমে বাজার জমে উঠেনি। এর মধ্যে দুর্যোগপূণ আবহাওয়ার কারণে বাগান মালিকরা আম কম ভাংছেন। তবে প্রশাসনিক নির্দেশনা মোতাবেক আজ ২৮ মে শুক্রবার থেকে ক্ষিরসাপাত আম আসা শুরু করেছে।এ হিমসাগর আমের চাহিদা সারা বাংলাদেশের।

তাই এখন বাজার আরও জমে উঠবে।বানেশ্বর বাজার ইজারদার ইমরান আলী বলেন, রাজশাহী জেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় আমের মোকাম এই বাজার।এরপর বিড়ালদহ, রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও সাহেব বাজার এলাকা, শিবপুরহাট এলাকার আড়ৎগুলোতে আম কেনা বেচা হয়।আম মৌসুমে আড়তগুলোতে প্রায় দুই থেকে, আড়াই হাজার  শ্রমিক আম সম্প্রিক্ত কাজে ব্যস্ত থাকেন ।এর মধ্যে,আম নামানো , আম বহন , আম বাছাই করা , আম প্যাকেট জাত করা শ্রমিক উল্লেখযোগ্য।তবে গত ৩ দিনের বৈরী আবহাওয়ার কারণে বাজারে আম কম আমদানিতে তারা অলস সময় পার করছেন।ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের কারণে ৩ দিন ধরে রাজশাহী অঞ্চল মেঘাচ্ছন্ন, মাঝে মধ্যে হালকা বৃষ্টির সাথে হালকা ঝড়ো প্রবাহিত হচ্ছে।আর তার প্রভাব পড়েছে আম -লিচু বাগান ও বাজারগুলোতে।স্থানীয় বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার কারণে বড় গাছগুলো থেকে আম নামানো (পাড়া) ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।যার কারণে ফলের আড়ৎগুলোতে চাহিদা মোতাবেক আম আসছে না।

২৮ মে শুক্রবার সকাল বেলা ১২ টার সময় সরজমিনে ‌জেলার সর্ববৃহৎ আমের বাজার বানেশ্বর হাট ঘুরে দেখা গেছে, গত কয়েক দিনের তুলনায় আমের আমদানী অনেকটা কম।ইতিমধ্যে প্রশাসনের নিদের্শনা মোতাবেক সকল প্রকার গুটি আম বেচা কেনা চলছে পুরোদমে। সেই সাথে ২৫ মে থেকে গোপাল ভোগ ও রাণীপছন্দ আম বাজারে আসছে। তবে গত তিন দিন থেকে বাজারে চাহিদা অনুসারে আমের‌ আমদানির পরিমাণে অনেক কম।২৮ মে শুক্রবার  থেকে  বাজারে এসেছে আম পিপাসুদের প্রতীক্ষিত সুস্বাদু হিমসাগর বা ক্ষিরসাপাত আম।উপজেলার ভালুকগাছি, নওদাপাড়া গ্রাম থেকে আম বিক্রি করতে আসা ধলু শেখ বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় গুড়িগুড়ি বৃষ্টিতে গাছ ভেজা পিচ্ছল হয়েগেছে। তার ওপর মাঝে মধ্যে জোরে জোরে দমকা বাতাস বয়ে যাবার কারণে গত ৩ দিন থেকে গাছ থেকে আম নামানো শ্রমিকেরা ঝুঁকি নিয়ে  বড় গাছে উঠতে চাচ্ছেন না।

তবে ছোট, ছোট গাছের  নিচে থেকে যদ্দুর সম্ভব আম নামাতে পেরেছি তাই বাজারে নিয়ে আসলাম। সিরাজগঞ্জ থেকে আগত আমব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন, গতকাল এই আম বাজারে বিক্রেতার চেয়ে ক্রেতার সংখ্যা অনেক বেশি ছিল।তবে আশা করছি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আজ ২৮ মে শুক্রবার থেকে বাজারে ভরপুর আম আসবে।বানেশ্বর বাজারের আম আড়তদার মোমিনুল হক বলেন, বিগত বছরের তুলনায় এ বছর এখনো পুরোদমে বাজার জমে উঠেনি।এর মধ্যে দুর্যোগপূণ আবহাওয়ার কারণে বাগান মালিকরা আম কম ভাংছেন। তবে প্রশাসনিক নির্দেশনা মোতাবেক আজ ২৮ মে শুক্রবার থেকে ক্ষিরসাপাত আম আসা শুরু করেছে।

এ হিমসাগর আমের চাহিদা সারা বাংলাদেশের।তাই এখন বাজার আরও জমে উঠবে।বানেশ্বর বাজার ইজারদার ইমরান আলী বলেন, রাজশাহী জেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় আমের মোকাম এই বাজার।এরপর বিড়ালদহ, রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও সাহেব বাজার এলাকা, শিবপুরহাট এলাকার আড়ৎগুলোতে আম কেনা বেচা হয়।আম মৌসুমে আড়তগুলোতে প্রায় দুই থেকে, আড়াই হাজার  শ্রমিক আম সম্প্রিক্ত কাজে ব্যস্ত থাকেন ।এর মধ্যে,আম নামানো , আম বহন , আম বাছাই করা , আম প্যাকেট জাত করা শ্রমিক উল্লেখযোগ্য।তবে গত ৩  দিনের বৈরী আবহাওয়ার কারণে বাজারে আম কম আমদানিতে তারা অলস সময় পার করছেন।

,ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের কারণে ৩ দিন ধরে রাজশাহী অঞ্চল মেঘাচ্ছন্ন, মাঝে মধ্যে হালকা বৃষ্টির সাথে হালকা ঝড়ো প্রবাহিত হচ্ছে।আর তার প্রভাব পড়েছে আম -লিচু বাগান ও বাজারগুলোতে। স্থানীয় বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার কারণে বড় গাছগুলো থেকে আম নামানো (পাড়া) ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।যার কারণে ফলের আড়ৎগুলোতে চাহিদা মোতাবেক আম আসছে না।২৮ মে শুক্রবার সকাল বেলা ১২ টার সময় সরজমিনে ‌জেলার সর্ববৃহৎ আমের বাজার বানেশ্বর হাট ঘুরে দেখা গেছে, গত কয়েক দিনের তুলনায় আমের আমদানী অনেকটা কম।ইতিমধ্যে প্রশাসনের নিদের্শনা মোতাবেক সকল প্রকার গুটি আম বেচা কেনা চলছে পুরোদমে।

সেই সাথে ২৫ মে থেকে গোপাল ভোগ ও রাণীপছন্দ আম বাজারে আসছে।তবে গত তিন দিন থেকে বাজারে চাহিদা অনুসারে আমের‌ আমদানির পরিমাণে অনেক কম।২৮ মে শুক্রবার  থেকে  বাজারে এসেছে আম পিপাসুদের প্রতীক্ষিত সুস্বাদু হিমসাগর বা ক্ষিরসাপাত আম।উপজেলার ভালুকগাছি, নওদাপাড়া গ্রাম থেকে আম বিক্রি করতে আসা ধলু শেখ বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় গুড়িগুড়ি বৃষ্টিতে গাছ ভেজা পিচ্ছল হয়েগেছে। তার ওপর মাঝে মধ্যে জোরে জোরে দমকা বাতাস বয়ে যাবার কারণে গত ৩ দিন থেকে গাছ থেকে আম নামানো শ্রমিকেরা ঝুঁকি নিয়ে  বড় গাছে উঠতে চাচ্ছেন না।তবে ছোট, ছোট গাছের  নিচে থেকে যদ্দুর সম্ভব আম নামাতে পেরেছি তাই বাজারে নিয়ে আসলাম।

সিরাজগঞ্জ থেকে আগত আমব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন, গতকাল এই আম বাজারে বিক্রেতার চেয়ে ক্রেতার সংখ্যা অনেক বেশি ছিল। তবে আশা করছি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আজ ২৮ মে শুক্রবার থেকে বাজারে ভরপুর আম আসবে।বানেশ্বর বাজারের আম আড়তদার মোমিনুল হক বলেন, বিগত বছরের তুলনায় এ বছর এখনো পুরোদমে বাজার জমে উঠেনি। এর মধ্যে দুর্যোগপূণ আবহাওয়ার কারণে বাগান মালিকরা আম কম ভাংছেন।তবে প্রশাসনিক নির্দেশনা মোতাবেক আজ ২৮ মে শুক্রবার থেকে ক্ষিরসাপাত আম আসা শুরু করেছে।এ হিমসাগর আমের চাহিদা সারা বাংলাদেশের।

তাই এখন বাজার আরও জমে উঠবে।বানেশ্বর বাজার ইজারদার ইমরান আলী বলেন, রাজশাহী জেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় আমের মোকাম এই বাজার। এরপর বিড়ালদহ, রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ও সাহেব বাজার এলাকা, শিবপুরহাট এলাকার আড়ৎগুলোতে আম কেনা বেচা হয়।আম মৌসুমে আড়তগুলোতে প্রায় দুই থেকে, আড়াই হাজার  শ্রমিক আম সম্প্রিক্ত কাজে ব্যস্ত থাকেন ।এর মধ্যে,আম নামানো , আম বহন , আম বাছাই করা , আম প্যাকেট জাত করা শ্রমিক উল্লেখযোগ্য।তবে গত ৩ দিনের বৈরী আবহাওয়ার কারণে বাজারে আম কম আমদানিতে তারা অলস সময় পার করছেন।

IPCS News/রির্পোট, আবুল কালাম আজাদ।