রবিবার ৭ই মার্চ, ২০২১ ইং ২২শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

রাইস ট্রান্সপ্ল্যান্টার মেশিনে বীজতলা তৈরিসহ কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে বদলে যাচ্ছে রাজশাহীর কৃষি

আপডেটঃ ৫:০১ অপরাহ্ণ | জানুয়ারি ১৯, ২০২১

নিউজ ডেস্কঃ

কৃষিকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে উন্নত ফসল ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।এরই ধারাবাহিতকতায় সমালয়ে চাষাবাদ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।উৎপাদন খরচ কমানো, কর্তনোত্তার অপচয় রোধ, কায়িক শ্রম লাঘব, শ্রমিকের অভাব পূরণ ও ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতেই এই প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার সিংড়া গ্রামের ৪৫ জন কৃষকের ১৫০ বিঘা বোরো ধানের সমালয়ে চাষাবাদ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।এ প্রকল্পের আওতায় ধানের বীজতলা তৈরি, রাইস ট্রান্সপ্লান্টারে চারা রোপণ ও কম্বাইন্ড হারভেস্টারের মাধ্যমে ধান কর্তন পর্যন্ত সহায়তা দিবে কৃষি বিভাগ।এজন্য সরকারিভাবে বরাদ্দ রয়েছে ১৪ লাখ টাকা।রাজশাহী জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬৬ হাজার ২৬৫ হেক্টর।

আর দুর্গাপুর উপজেলায় সেটা ৫ হাজার ১৯০ হেক্টর।ফলে মৌসুমের শুরু থেকেই বোরো চাষের জন্য বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন এখানকার কৃষকরা।উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোকলেছুর রহমান দেখভাল করছেন, নিজস্ব জোনের বোরো কর্মকান্ড। নির্দেশনা অনুযায়ী বোরো ধানের উৎপাদন খরচ কমাতে চারা রোপণ থেকে শুরু করে ধান কর্তন পর্যন্ত যন্ত্র ব্যবহারে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।রাইস ট্রান্সপ্ল্যান্টার মেশিনে বীজতলা তৈরিসহ প্রযুদ্ধির এমন উদ্যোগ স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

জানা যায়, বীজতলা তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে ২ হাজার ১০০টি প্লাস্টিক ট্রে।এতে ২ সেন্টিমিটার জৈব সার মিশ্রিত মাটি ভরাট করে কাঠ দিয়ে ভালভাবে সমতল করে মাটিতে স্থাপন করা হয়েছে।প্রতিটি ট্রেতে ১২০ থেকে ১৫০ গ্রাম অঙ্কুরিত বীজ বপন করে দশমিক ৫ সেন্টিমিটার মাটি দিয়ে বীজ ঢেকে দেয়া হয়েছে।এছাড়াও শৈত্যপ্রবাহের হাত থেকে রক্ষা করতে স্বচ্ছ সাদা পলিথিন দিয়ে বীজতলা ঢাকা হয়েছে।বোরো ধানের আধুনিক জাত হিসেবে লাল তীরের হাইব্রিড টিয়া ভিত্তি বীজ ব্যবহার করা হয়েছে।

জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে রাইস ট্রান্সপ্লান্টার যন্ত্রের মাধ্যমে দেঁড়শ বিঘা জমিতে ধানের চারা রোপণ করা হবে।সিংড়া গ্রামের কৃষক বাবর আলী জানান, কৃষি বিভাগের মাধ্যমে তারা সার, বীজ বিনামূল্যে পেয়েছেন।সমালয়ে চাষাবাদ পদ্ধতিতে যন্ত্র ব্যবহার করে একই সময়ে একই জাতের ফসলের চারা রোপণ, আন্ত:পরিচর্যা ও কর্তন করা হবে।এ পদ্ধতিতে সঠিক সময়ে অল্প দিনের মধ্যে চারা রোপণ করা সম্ভব।কোন টাকা খরচ করতে হয়নি কৃষকদের। সম্পূর্ণ খরচ বহন করছেন কৃষি বিভাগ।

IPCS News /রির্পোট, আবুল কালাম আজাদ।