শুক্রবার ২২শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ৬ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

১৩ জানুয়ারি “হিলি ট্রেন ট্রাজেডি দিবস” দেশের সবচেয়ে বড় ট্রেন দুর্ঘটনা

আপডেটঃ ১:৫১ অপরাহ্ণ | জানুয়ারি ১২, ২০২১

নিউজ ডেস্কঃ

১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি দিনাজপুরের হিলিতে দেশের সব বড় ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটে।হিলি রেল স্টেশনে দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে মারা যান অর্ধশতাধিক।মুহূর্তেই দুটি ট্রেনের মুখোমুখি সংর্ঘষে বিকট শব্দ ও শত শত যাত্রীদের চিৎকারে ভারী হয়ে উঠে হিলির আকাশ-বাতাস।দুমড়ে মুচড়ে যায় লোকাল ট্রেন ২টি ইঞ্জিনসহ মোট ৪টি বগী।বিডিআর অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পাশাপাশি স্থানীয় লোকজন দূর্ঘটনায় আহত ও নিহতদের উদ্ধারে দ্রুত এগিয়ে আসে।হিলির সাধারণ মানুষ তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে এ দূর্ঘটনায় নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি শুক্রবার রাত সোয়া ৯টায় রেল ক্রসিংয়ের উদ্দেশে স্টেশনের ১ নম্বর লাইনে দাঁড়িয়েছিল গোয়ালন্দ থেকে পার্বতীপুরগামী ৫১১ নম্বর লোকাল ট্রেন।

তবে সে সময়ের দায়িত্বরত স্টেশন মাস্টার ও পয়েন্টসম্যানের অবহেলার কারণে একই লাইনে ঢুকে পড়ে সৈয়দপুর থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী ৭৪৮ নম্বর আন্তঃনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি।এতে দুইটি ট্রেনের মুখোমুখি সংষর্ষের ঘটনা ঘটে।এ দুর্ঘটনায় লোকাল ট্রেনটির ইঞ্জিনসহ তিনটি বগি পুরোপুরি দুমড়ে মুচড়ে যায়।পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় রেলওয়ে একতা ক্লাবের সদস্যসহ স্থানীয়রা দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের উদ্ধার করেন।এ দূর্ঘটনায় বেসরকারি ভাবে নিহতের সংখ্যা শতাধিক হলেও সরকারি ভাবে ঘোষণা করা হয় মাত্র ২৭ জন ট্রেনযাত্রী নিহতের কথা।আহত হয় ৩ শতাধিক।সেই দূর্ঘটনায় আহতদের অনেকে এখনো পঙ্গত্ববরণ করে ঘুরে বেড়াচ্ছে।এই মর্মান্তিক ঘটনার পরে কেটে গেছে ২৬ বছর।আজও আহত ও নিহতদের পরিবারগুলো পায়নি ক্ষতিপূরণের টাকা।এ দূর্ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠিত হলেও অদ্যাবধি আলোর মুখ দেখেনি সেই তদন্ত রিপোর্ট।সীমান্তবর্তী শহর হাকিমপুর উপজেলায় এ প্রতি বছর দিবসটি “হিলি ট্রেন ট্র্যাজেডি দিবস”- হিসেবে পালন করে।

১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি দিনাজপুরের হিলিতে দেশের সব বড় ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটে।হিলি রেল স্টেশনে দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে মারা যান অর্ধশতাধিক।মুহূর্তেই দুটি ট্রেনের মুখোমুখি সংর্ঘষে বিকট শব্দ ও শত শত যাত্রীদের চিৎকারে ভারী হয়ে উঠে হিলির আকাশ-বাতাস। দুমড়ে মুচড়ে যায় লোকাল ট্রেন ২টি ইঞ্জিনসহ মোট ৪টি বগী।বিডিআর অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পাশাপাশি স্থানীয় লোকজন দূর্ঘটনায় আহত ও নিহতদের উদ্ধারে দ্রুত এগিয়ে আসে।হিলির সাধারণ মানুষ তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে এ দূর্ঘটনায় নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি শুক্রবার রাত সোয়া ৯টায় রেল ক্রসিংয়ের উদ্দেশে স্টেশনের ১ নম্বর লাইনে দাঁড়িয়েছিল গোয়ালন্দ থেকে পার্বতীপুরগামী ৫১১ নম্বর লোকাল ট্রেন।

তবে সে সময়ের দায়িত্বরত স্টেশন মাস্টার ও পয়েন্টসম্যানের অবহেলার কারণে একই লাইনে ঢুকে পড়ে সৈয়দপুর থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী ৭৪৮ নম্বর আন্তঃনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি।এতে দুইটি ট্রেনের মুখোমুখি সংষর্ষের ঘটনা ঘটে।এ দুর্ঘটনায় লোকাল ট্রেনটির ইঞ্জিনসহ তিনটি বগি পুরোপুরি দুমড়ে মুচড়ে যায়।পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় রেলওয়ে একতা ক্লাবের সদস্যসহ স্থানীয়রা দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের উদ্ধার করেন।

এ দূর্ঘটনায় বেসরকারি ভাবে নিহতের সংখ্যা শতাধিক হলেও সরকারি ভাবে ঘোষণা করা হয় মাত্র ২৭ জন ট্রেনযাত্রী নিহতের কথা।আহত হয় ৩ শতাধিক।সেই দূর্ঘটনায় আহতদের অনেকে এখনো পঙ্গত্ববরণ করে ঘুরে বেড়াচ্ছে।এই মর্মান্তিক ঘটনার পরে কেটে গেছে ২৬ বছর।আজও আহত ও নিহতদের পরিবারগুলো পায়নি ক্ষতিপূরণের টাকা।এ দূর্ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠিত হলেও অদ্যাবধি আলোর মুখ দেখেনি সেই তদন্ত রিপোর্ট।সীমান্তবর্তী শহর হাকিমপুর উপজেলায় এ প্রতি বছর দিবসটি “হিলি ট্রেন ট্র্যাজেডি দিবস”- হিসেবে পালন করে।

IPCS News /রির্পোট, আবুল কালাম আজাদ।