সোমবার ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ১২ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাসগৃহ পাচ্ছেন রাজশাহীর ৬৯২ গৃহহীন পরিবার

আপডেটঃ ১:২২ অপরাহ্ণ | জানুয়ারি ১২, ২০২১

নিউজ ডেস্কঃ

প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে রাজশাহীর ৬৯২ গৃহহীন পরিবার পাচ্ছেন বসবাসের জন্য বাসগৃহ।বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে সরকার এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।রাজশাহী জেলায় এই বাসগৃহ প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ১২ কোটি টাকা।এরই মধ্যে বাড়ি নির্মাণের অধিকাংশ কাজ প্রায় শেষ হয়েছে।আগামী ২০ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিক ভাবে রাজশাহীর ৯টি উপজেলার সংশ্লিষ্ট দরিদ্র পরিবারগুলোর মাঝে বাড়িগুলো হস্তান্তর করবেন।জেলা প্রশাসনের  অফিস থেকে পাওয়া তথ্য মতে, খাসজমির প্রাপ্যতার ওপর ভিত্তি করে সংশ্লিষ্ট উপজেলায় এই বাড়িগুলো নির্মাণ করা হচ্ছে।২ শতক জায়গার ওপর সরকারি ভাবে নির্মিত প্রতিটি বাড়িতে থাকছে দুইটি ঘর, একটি রান্নাঘর, একটি বাথরুম এবং একটি করে টয়লেট।ইটের দেয়াল এবং টিনের চালা দিয়ে নির্মিত এই বাড়িগুলোতে থাকছে স্বাস্থ্য সম্মত পরিবেশ।প্রতিটি বাড়ি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা।

বাড়িগুলো নির্মাণে সার্বিক তদারকি করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট উপজেলা গুলোর ও ইউপি চেয়ারম্যানগণ।ঠিকাদাদের মাধ্যমে বাড়ি নির্মাণের কাজ না করিয়ে স্থানীয় প্রশসনের তদারকিতে ও ব্যবস্থাপনায় এই বাড়িগুলো নির্মাণ করা হচ্ছে।রাজশাহীতে নির্মাণাধিন ৬৯২টি বাড়ির মধ্যে পবা উপজেলায় দেয়া হবে ৪৭টি, মোহনপুরে ১৬টি, দুর্গাপুরে ৩২টি, পুঠিয়ায় ৫৪টি, বাঘায় ১৬টি, চারঘাটে ১৫টি, বাগমারায় ১৭৫টি, তানোরে ৫৭টি এবং গোদাগাড়ীতে ২৮০টি বাড়ি দেয়া হবে।তবে,স্থানীয় ৯টি উপজেলার মধ্যে বাঘা, চারঘাট ও মোহনপুর উপজেলায় তুলনামূলক কম সংখ্যক বাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে।এ প্রসঙ্গে বাঘা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহিন রেজা জানান, সরকার জমিসহ বাড়ি নির্মাণ করে দিচ্ছে।উপজেলায় খাসজমির প্রাপ্যতার ওপর ভিত্তি করে বাড়িগুলো নির্মাণ করা হচ্ছে।বাঘায় খাস জমি পরিমাণ কম ছিলো।যে কারণে এখানে চাইলেও বেশি বাড়ি করা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরো জানান, তিনি নিজে উপজেলা ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়াম্যনদেরকে সাথে নিয়ে প্রতিদিন কাজের তদারকি করছেন।এছাড়া জেলা প্রশাসন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাও নিয়মিত কাজের তদারকি করছেন।তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুশান্ত কুমার মাহাতো বলেন, ইতোমধ্যে ঘরগুলো নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে।প্রায় ৫০টি ঘরে টিন বসানো হয়েছে।এছাড়া কিছু ঘরে টিন বসানো ও রংয়ের কাজ বাকি আছে।আশা করি দ্রুত ঘরগুলোর কাজ শেষ করতে পারবো।চলতি মাসের ১৫ জানুয়ারীর মধ্যেই বরাদ্দকৃত ঘরগুলোর কাজ শেষ হবে।

রাজশাহী জেলার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ত্রাণ এবং পুনর্বাসণ বিভাগের পরিচালক আমিনুল হক জানান, বাড়িগুলোর নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।এখন শুধু টিন লাগানো বা রংয়ের কাজ বাকি আছে।সামান্য যে কাজ বাকি আছে তাও শেষ পর্যায়ে।ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আগামী ২০ জানুয়ারি এই বাড়িগুলো আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপকারভোগী পরিবারগুলোর মাঝে হস্তান্তর রবেন।

IPCS News /রির্পোট, আবুল কালাম আজাদ।