রবিবার ২২শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

নারায়ণগঞ্জে জাতীয় তরুণ পার্টি নেতার উপর হামলা ও তার বিরুদ্ধে ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ এলাকাবাসীর মানববন্ধন।

আপডেটঃ ৭:৪৯ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ৩১, ২০২০

নিউজ ডেস্কঃ

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের কলাবাগ এলাকার বাসিন্দা বিএনপি-জামায়েত নেতা আল-মামুন ও তার ভাই তসলিম জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে গত মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে জমি বিরোধের মিমাংসায় পরাস্ত হয়ে জাতীয় তরুণ পার্টির নেতা  মাইনুদ্দিন মানুর ওপর হামলা করে, এ ঘটনা ধামা-চাপাদিতে ও নিজেদের রক্ষার্থে মামুন ও তার ভাই তসলিম  বাড়ির জানালা ভাংচুর করে ৯৯৯ জরুরী নাম্বারে কল করে জাতীয় তরুণ পার্টির নেতা মাইনুদ্দিন মানু ও তার লোকজন বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করে।৯৯৯ জরুরী নাম্বার এ কল করায় নিকটস্থ থানার পুলিশ এসে তাদের নিরাপত্তায় মামুন ও তসলিম এর বাড়িতে অবস্থান নেয়।এ ঘটনায় মাইনুদ্দিন মানু ও তার দুই ছেলে এবং বাদি (উম্মে হানি বেগম) এরছেলে ওমার ফারুক সহ  সাতজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মামুনের মা উম্মে হানি বেগম।

মামুন ও তসলিম এর বড় ভাই ওমর ফারুক বলেন, ‘ওই জমি আমি পৈত্রিক সূত্রে পাইনি।আমি সেটা কিনেছি কেনা জমি আমি মাইনুদ্দিন মানু সাহেবের কাছে বিক্রি করে দিয়েছি।এটা নিয়ে গতকাল দুপুরে হৈ-চৈ ও বিরোধ হয়েছে।মাইনুদ্দিন মানু সাহেবের উপরে হামলা করা হয়েছে এটা নিয়ে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।

জাতীয় তরুণ পার্টির নেতা মাইনুদ্দিন মানু IPCS NEWS কে বলেন, ‘ওই জমি আমি মামুনের বড় ভাই ফারুকের কাছ থেকে কিনেছি।আমার জমিতেই ড্রেজারের কিছু ওয়েস্টেজ পড়েছিল।সেটা নিয়েই তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আমার উপর হামলা চালায়।আমি থানায় এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি।বাকিটা পুলিশ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে।’ভাংচুরের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাকে হামলার খবর পেয়ে এলাকাবাসী  মানববন্ধন ও মিছিল করেছে।তবে কেউই ভাঙচুর করেনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফখরুদ্দিন ভূইয়া বলেন, ‘উভয়পক্ষই থানায় অভিযোগ করেছেন।উভয়েরই মারধর ও হামলার অভিযোগ পাওয়াগেছে।বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করছে।তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।আর কেউ যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন তাহলে তাকে সে বিষয়টি জানাতে হবে।

IPCS News /রির্পোট, শাকিল আহমেদ, নারায়নগঞ্জ।