মঙ্গলবার ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

আলোচিত সাধন হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে আসামীদের নানা কৌশল

আপডেটঃ ৪:৫০ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ২৮, ২০২০

নিউজ ডেস্কঃ

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার পাঁকা এলাকার আলোচিত সেই স্বাধন হত্যা মামলার আসামীরা দীর্ঘদিন থেকে নিজেদের আড়ালে রাখলেও সম্প্রতি মামলা থেকে বাঁচার জন্য তদন্তকারি পুলিশ কর্মকর্তাকে দোষারোপসহ নানা কৌশল করছে।২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বরের ভোরে রাজশাহী জেলাধীন বাঘা থানার লোকমানপুর ও আড়ানী রেল ষ্টেশনের মধ্যে, রেল লাইনের পাশ থেকে জুয়েলার্স ব্যবসায়ী স্বাধন কর্মকারের মরদেহ উদ্ধার করে থানা পুলিশ।পরে স্বাধন কর্মকারের বড়ভাই শ্রী সন্তোস কুমার কর্মকার বাদী হয়ে পাবনার ঈশ্বর্দী রেলওয়ে থানার হত্যা মামলা দায়ের করেন।মামলার এজাহারের বিবরণ অনুযায়ী অনুসন্ধানে নামে পুলিশ প্রশাসনসহ একাধিক সংস্থা।

বাদী ও সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তাহাদের জবানবন্দী, ১৬১ ধারা লিপিবদ্ধ করেন।তদন্ত কালে মামলাটি সিআইডি সিডিউল ভুক্ত হওয়ায় পুলিশ হেডকোয়াটার্সের অনুমোদন সাপেক্ষে সিআইডি রাজশাহী বিভাগ, রাজশাহী স্মারক মোতাবেক মামলাটির তদন্তভার পুলিশ পরিদর্শক খন্দকার ফেরদৌস আহম্মেদ, সিআইডি পাবনার জেলার নিকট অর্পন করেন।মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় ১৮ সালের ১২ জুন মামলাটির তদন্তভার আসে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন ( পিবিআই) এর হাতে।

পিবিআই এর চৌকস অফিসার , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ মামলাটির তদন্তভার দেন উপ-পরিদর্শক সাইদুর রহমানের উপর।তদন্তকারী এই পুলিশ কর্মকর্তা নিবিড় পর্যবেক্ষন ও অনুসন্ধানে সন্দেহজনক ৫ জনকে গ্রেফতার করে এবং ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী রেকর্ড করেন।গ্রেফতারকৃত আসামীদের জবানবন্দী অনুযায়ী ভিক্টিম স্বাধন কর্মকারের হত্যার স্বীকারুক্তিসহ ১৭ জন সহযোগির নাম উল্লেখ করেন।জবানবন্দী দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আসামীদের গ্রেফতারের প্রক্রিয়া শুরু করতে না করতে আসামীগন বাঁচার তাগিদে নানা কৌশল অবলম্বন শুরু করেন।এমন কি আসামীরা, পিবিআই এর উপ-পরিদর্শক সাইদুর রহমানের উপর মিথ্যে অপবাদ দিতে শুরু করেন।এছাড়াও আসামীরা এলাকার সাধারণ মানুষকে বিশেষ সুবিধা দিয়ে উস্কেকে দিচ্ছে বলে অভিযোগ উছেঠে।

এবিষয়ে পিবিআই এর উপ-পরিদর্শক সাইদুর রহমানের নিকট মুঠোফোনে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, পুলিশে যোগদান করে সেদিন শপথ নিয়েছি দেশ ও মানুষের কল্যানে কাজ করার।অন্যসয়ের নিকট মাথা করতে নয়।আমার নিকট মিথ্যার কোন স্থান নাই।আর অপরাধী যেই হোক তার কোন ছাড় নাই।তিনি আরো বলেন, তথ্য অনুযায়ী ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।এই মামলায় মোট ১৭ জনকে আসামী করা হয়েছে।বাঁকী আসামীরা আইনের আওতায় আসবে ইনশাআল্লাহ।

আলোচিত এই মামলার বিষয়ে পিবিআই এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ বলেন, দেশের সবচেয়ে জটিল ও ক্লুলেস মামলাগুলো পিবিআই করে।পিবিআই পুলিশ কাউকে অযথা হয়রানি করেনা।মামলার ধরন দেখে আমি যোগ্য অফিসারের হাতে মামলাতদন্ত ভার দিয়েছি।আমার আফিসারগন সৎ ও যোগ্য তাই আমার অফিসারের উপর মিথ্যা অপবাদ দিয়ে লাভ হবেনা। খুব শিঘ্রই এই মামলার বাঁকী আসামীদের আইনের আওতায় আনাতে সক্ষম হবো।

IPCS News /রির্পোট, আবুল কালাম আজাদ।