মঙ্গলবার ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

চন্দ্রিমা থানায় বিচারকের আসনে সোর্স আলিম

আপডেটঃ ১:২১ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ০৫, ২০২০

নিউজ ডেস্কঃ

চন্দ্রিমা থানায় দারোগার বাবুর চেয়ারে বসে বিচার ও মিমাংসা করছে ঐ থানার মাদক ব্যবসায়ী ও থানার কথিত আলম নামের এক সোর্স।ঘটনাটি অবিশাস্য হলেও সত্য।ঘটনাটি রাজশাহী মহানগর পুলিশের চন্দ্রীমা থানার ভেতরে।থানার ২য় তলায় দারোগা বাবুদের রুমে।থানাগুলিতে, চন্দ্রিমা থানায় গিয়ে দেখা গেল আজব ঘটনা এসআই-এর চেয়ারে বসা থানা পুলিশের সোর্স আলিমকে।শুক্রবার (৪ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নগরীর চন্দ্রিমা থানায় এসআই পলাশের পাশের চেয়ারে বসে মারামারীর একটি ঘটনা মিমাংসা করতে দেখা যায় এলাকার চিন্হিত মাদক ব্যবসায়ী ও পুলিশের সোর্স আলিমকে।এ সময় সাংবাদিকদের ছবি তুলতে দেখেই থানা থেকে দ্রুত সটকে পড়ে আলিম।দুঃখ জনক হলেও সত্য আরএমপি পুলিশ কমিশনারের দিকনির্দেশনায় করোনা ভাইরাসের প্রার্দূভাব ঠেকাতে পুলিশের কর্মকর্তারা জনসচেতনতা বাড়তে রাস্তায় নেমে দোকানে দোকানে গিয়ে মাস্ক বিতরন করাসহ সতর্ক করছেন জনগণকে।

আর এই সময় চন্দ্রিমা থানার দোতলায় অনুমানিক ২৫/৩০জন জনতার ভিড় জমিয়ে একটি মারমারী ঘটনা নিয়ে আপস-মিমাংসা করছেন এসআই পলাশ ও পুলিশের সোর্স আলিম। তাও আবার থুতনিতে মাস্ক, নাকে নয় !এসআই এর চেয়ারে বসা ভদ্রলোকটি কে ? এমন প্রশ্ন করতেই থানায় উপস্থিত স্থানীয়দের মধ্যে কয়েকজন ব্যঙ্গ করে বললেন উনি আলিম থানার দারোগাদের বস,২য় ওসি।

এই আলিম  থানা পুলিশের সাথে সম্পর্ক রেখে নিজ ভাই মানিককে দিয়ে হেরোইনের কারবার করে আসছে দির্ঘ কয়েক বছর ধরে। তারপরও পুলিশ মানিককে ধরেনা।এছাড়াও আলিম নিজ এলাকায় নানা ধরনের অপকর্মে করে থাকে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।তারা বলেন, চন্দ্রিমা থানার অধিকাংশ পুলিশের যাতায়াত রয়েছে আলিমের বাড়িতে।আলিম অবশ্য অপ্যায়নের ত্রুটি রাখেন না।আর সেই সুবাদে এলাকায় আটকের বিষয়গুলি নিয়ে থানায় তদবিরও করে থাকে আলিম।থানার কোন ঘটনা হলে এলাকার লোকজন পুলিশের কাছে না গিয়ে সরাসরি যায় আলিমের কাছে।আর এতে আলিমের আয় রোজগার ভাল হয় বলেও জানায় স্থানীয়রা।তবে তারা এক বাক্যে বলেন থানার কথিত ওসি আলিম।

এসআই-এর চেয়ারে সোর্স বসার কারন জানতে চাইলে, এসআই পলাশ বলেন, বিষয়টি আমি খেয়াল করিনি। তবে খেয়াল করলে তাকে বসতে দিতাম না।থানার সেকেন্ড অফিসার মঈনুল বাসার বলেন,বিষয়টি তার জানা নাই।এ ধরনের ঘটনা  থানায় হবার কথা নয়।বিষয়টি তিনি দেখছেন বলে জানান এই কর্মকর্তা।

IPCS News /রির্পোট, আবুল কালাম আজাদ।