রবিবার ১৭ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ১লা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

রাজশাহী বোয়ালিয়া থানার ২ এএসআইয়ের ঘুষ বানিজ্য( ভিডিও সহ)

আপডেটঃ ৫:৩৩ অপরাহ্ণ | নভেম্বর ১১, ২০২০

নিউজ ডেস্কঃ

রাজশাহী মহানগর বোয়ালিয়া থানার এএসআই মনির ও এএসআই ফেরদৌসের ঘুষ লেনদেনের ভিডিও প্রকাশ হয়েছে।ভিডিওটি নিয়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা।এর পরও এএসআই দ্বয় বহাল তবিয়্যতে দাপটের সাথে সংশ্লিষ্ঠ থানায় কর্মরত আছে।ফলে প্রশ্নবিদ্ধ সংশ্লিষ্ঠ থানার অফিসারসহ পুলিশের উর্ধতনরাও।ভিডিওটির সূত্র ধরে সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ২৫/৩/২০২০ ইং তারিখে রাজশাহী মতিহার থানাধীন মিজানের মোড় এলাকায় গোপনে অভিযান চালায় বোয়ালিয়া থানার একটি দল।এসময় সেখান থেকে মিজানের মোড় এলাকার জনৈক ফারুকের ছোট ভাই লিটনকে মাদক মামলার অজুহাতে আটক করে নিয়ে যায় বোয়ালিয়া থানার এএসআই মনির ও এএসআই ফেরদৌস।

এসময় বোয়ালিয়া থানার এএসআই মনির ও এএসআই ফেরদৌস লিটনের পরিবারের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেন।কিন্তু পুলিশের দাবিকৃত অর্থ দিতে না পারায় বোয়ালিয়া থানার ২য় তলায় নিয়ে যেয়ে এএসআই মনির ও এএসআই ফেরদৌস অমানবিক নির্যাতন চালাতে থাকে লিটনের উপর।

এক পর্যায়ে এএসআই মনির লিটনের মোবাইলে লিটনের পরিবারের সাথে আবারোও যোগাযোগ করলে লিটন ফোনে তার পরিবারকে নির্যাতনের বর্ননা দেয় এবং তার পরিবারকে টাকা নিয়ে আসার জন্যও চাপ দেয়।এসময় লিটনের পরিবার ৫০ হাজার টাকা নিয়ে নগরীর একটি মোড়ে টাকা দেয়।সেই সাথে রেকর্ড করে নেয়া হয় টাকা লেনদেনের ভিডিও।পরে লিটনকে ২৬/০৩/২০২০ তারিখে আরএমপি ধারায় চালান দেয়া হয়।এ বিষয়ে জানার জন্য,বোয়ালিয়া থানার এএসআই মনিরের মোবাইল নাম্বারে ফোন দিলে তিনি জানান,তনি কারো নিকট কথা বলতে  বাধ্যনয়।প্রমান থাকলে নিউজ করুন।পক্ষান্তরে রাজশাহী বোয়ালিয়া থানার এএসআই ফেরদৌসকে নাম্বারে ফোন দিলে তিনিও ফোন রিসিভ করেননি।

IPCS News /রির্পোট, আবুল কালাম আজাদ।