শুক্রবার ২১শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ ৭ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

আটক ফেন্সিডিল বিক্রি, বলির পাঠা কন্সটেবল, সাংবাদিকের বাড়ী তল্লাশী

আপডেটঃ ১:১৪ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ২৮, ২০২০

নিউজ ডেস্কঃ

রাজশাহী মহানগর পুলিশের দামকুড়া থানার ইনচার্জ আটক ফেন্সিডিল বিক্রিয়ের ঘটনা ধামাচাপা দিতে, থানার এক কন্সটেবলকে বরখাস্ত ও ঘটনার সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশ করায় ঐ সাংবাদিককে ফাঁসানোর জন্য রাতের আঁধারে তার বাড়ী তল্লাশী করেছে থানার অফিসার ইনচার্জ নিজেই।ঘটনাসূত্রে জানা যায়, গত ৩০ জুলাই  ২০২০ ইং তারিকে দিবাগত রাত আনুমানিক ২ টা থেকে ২.৩০ মি. সময়ে রাজশাহী টু চাঁপাইনবাবগঞ্জ হাইওয়ে রাস্তার দামকুড়া থানার মুরারীপুর এলাকায় মাদকবাহী ট্রাকের গতিরোধ করে ডিউটিরত লিমা-১২১ এর অফিসার এএসআই নুরুল ও সঙ্গীয় ফোর্স।কিন্তু ট্রাক থামানোর সাথে সাথে ট্রাকের ড্রাইভার পালিয়ে যায়।ঐ সময় ট্রাকটিতে তল্লাসী চালিয়ে ২০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে এএসআই নুরুলের টিম।

কিন্তু ২০০ বোতল উদ্ধার হলেও সেখান থেকে ১৪০ বোতল ফেনসিডিল উধাও হয়ে যায় মুহুর্তের মধ্যেই।আর সরকারের খাতায় উদ্ধার দেখানো হয় ৬০ বোতল ফেনসিডিল।পরে বিষয়টি নিয়ে মিডিয়াকর্মীদের মধ্যে জানাজানি হলে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে দামকুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মাজহারুল ইসলাম।অবশ্য এ নিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় সংবাদ মাধ্যমে সংবাদের পর সংবাদ প্রকাশ হলে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকার সাংবাদিকদেরও হুমকি দেন দামকুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মাজহারুল ইসলাম।সংবাদ প্রকাশের পরপর তৎকালীন পুলিশ কমিশনার উক্ত বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেন।

অবশ্য পরবর্তীতে উক্ত তদন্তকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে উল্টো একজন নির্দোষ কন্সটেবলকে ফাঁসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।অবশ্য সেই কন্সটেবলকে সাংবাদিকের সাথে কথা বলার কারনেই যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এতে বিন্দু পরিমান সন্দেহ নেই। সেই সাথে ধামাচাপা পড়েছে ১৪০ বোতল ফেন্সিডিল বিক্রির ঘটনা।অন্যদিকে সাংবাদিকদের অভিযোগ দেয়ার পরপরই ১৪০ বোতল ফেনসিডিল উধাওয়ের সংবাদ ধামাচাপা দিতেই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে দামকুড়া থানার কন্সটেবল শাজাহানকে এবং বিষয়টি নিয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ দেয়ার কারনে উত্তরবঙ্গ প্রতিদিনের ১ সাংবাদিকের বাড়িতে ১ঘন্টা ব্যাপী দামকুড়া থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই আজিজ পুলিশি তান্ডব চালান  পর পর ২ দিন।

এলাকাবাসীর সূত্র জানা যায়,ঐ সাংবাদিকের বাড়ী তল্লাশির সময় অশ্লীল ভাষায়ও গালি-গালাজ করেন এসআই আজিজ।সেই সাথে হুমকি দিয়ে আসেন ঐ সাংবাদিকের বাবা – মাকেও।উল্লেখ্য যে, গত ১০ মাস আগে পুলিশি হয়রানীর অভিযোগ এনে উত্তরবঙ্গ প্রতিদিনের সাংবাদিক ও রাজশাহী মডেল প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য রমজানের বাবা আব্দুল মান্নান দামকুড়া থানার ওসি মাজহারুল ও এসআই আজিজের বিরুদ্ধে পুলিশ হেডকোয়ার্টার বরাবর অভিযোগ দিলে এরপরপরই তারা ক্ষ্রিপতা প্রকাশ করতে শুরু করে।

শুধু তাইনা এ বিষয়ে যে সকল সাংবাদিক উক্ত সংবাদ প্রকাশ করেছে তাদেরকেও দেখে নেয়ার হুমকি দেন উক্ত থানার সংশ্লিষ্ট ২ অফিসার।অবশ্য তারপরও অদৃশ্য হাতের শক্তির ইশারায় স্ব- পদে বহাল রয়েছেন দামকুড়া থানার ওসি মাজহার ও এসআই আজিজ।সাধারন মানুষের মনে প্রশ্ন, এতকিছুর পরও  উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নীরব কেন ?

IPCS News /রির্পোট, আবুল কালাম আজাদ।