মঙ্গলবার ২৭শে অক্টোবর, ২০২০ ইং ১১ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

স্বর্নের চোরাচালন আটক করে বিপাকে পুলিশ

আপডেটঃ ৮:৫৬ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ০৫, ২০২০

নিউজ ডেস্কঃ

রাজশাহীতে ২টি স্বর্ণের বারসহ  দুই  চোরাকারবরীকে  আটক করে মামলা  দেয়ায়  বিপাকে পড়েছে থানা পুলিশ। গত১ অক্টোবর সন্ধা সাড়ে ৬ টার সময়  নগরীর বর্নালীর মোড় এলাকা থেকে,  ঢাকা মেট্রো ব-১৫-২২৫১ নং গ্রামীন ট্রাভেলস বাস থেকে ২ টি স্বর্ণের বারসহ ২ স্বর্ন ব্যাবসায়ীকে আটক করে।আটক কৃতরা হচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার উপর রাজারামপুর (কুমারপাড়া),বর্তমান ঠিকানা রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ি থানার দরগাকুশিরা এলাকার মৃত মহসিন আলীর ছেলে আজিজুর ইসলাম (৪০) ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানাধীন হরিনগর তাঁতিপাড়া এলাকার আঃ মঙ্গুর ছেলে ফারুক হোসেন (৩২)। তাদের বিরুদ্ধে ১৯৭৪সালের ২৫বি/১/বি ধারায় মামলা রুজু শেষে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করেন।

এরপর  পরপরই  স্বর্নচোরা কারবারিদের গড ফাদার ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার এক প্রভাবশালী ইউপি চেয়ারম্যানের কথায় স্বর্ণেরবারসহ আসামীদের না ছাড়ায় বোয়ালিয়া থানা পুলিশকে এমন বিপাকে পড়তে হয়েছে বলে দাবি করেছেন বোয়ালিয়া মডেল থানার  আফিসার ইনচার্জ নিবারন চন্দ্র বর্মন ও অভিযানে থাকা এসআই মতিন সহ ৩ জন  পরিদর্শক।এসআই মতিন জানান,ঘটনার পর দিন অর্থাত ২ অক্টোবর সকাল থেকে দুপর পর্যন্ত প্রায় ১৫ বার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহিদ রানা টিপু,তার ব্যবহ্রত মোবাইল থেকে  স্বর্ণেরবারসহ আসামীদের ছেড়ে দেয়ার জন্য তাকে চাপ দিতে থাকেন।এমন কি প্রথমে আর্থিক সুবিধা এবং পরে মামলা ও বদলীর ভয় দেখান।এমনকি  সাংবাদিক,পুলিশের আইজি, ডিআইজির কাছে অভিযোগ করবেন বলে হুমকি দেন।

স্বর্ণেরবার উদ্ধার বহন কারীদের আটকের বিষয়ে প্রতক্ষ্যদর্শী  গ্রামীন ট্রাভেলস বাসের রাজশাহীস্থ ম্যানেজার জানান,তার ঢাকা মেট্রো ব-১৫-২২৫১ বাসটি পুলিশ আটক করেছে খবর পেয়ে তিনি ঘটনা স্থলে যান।পুলিশ সদস্যরা আটক কৃতদের দেহ তল্লাশী ও স্বর্নের বার উদ্ধার পর্যন্ত তিনি বাসের মধ্যেই ছিলেন এবং কৌতুহল বশঃত তিনি পুরো ঘটনার মোবাইলে ভিডিও করেন।তিনি আরো জানান ঐ সময় পুলিশ আটক কৃতদের আন্ডার ওয়ার থেকে ২ টি স্বর্নের বার উদ্ধার করে।বিষয়টি সম্পর্কে  বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ নিবারন চন্দ্র বর্মন পিপিএম বলেন,স্বর্নসহ চোরাকারবারীকে মামলা দিয়ে বিপাকে রয়েছেন তিনি।

মাদক ধরলেও দোষ, না ধরলেও দোষ।অপরাধিদের ধরলেও বিতর্কিত হচ্ছে পুলিশ।ফলে ভালো কাজে উৎসাহ হারাচ্ছে পুলিশ। বর্তমানে পরিস্থিতি এমন হয়েছে , কোন আসামী ধরতেও ভয় করছে অফিসারেরা। তারপরেও বিষয়টি আরএমপির সিনিয়র অফিসাররা তদন্ত করছে বলে জানান তিনি।

IPCS News /রির্পোট, আবুল কালাম আজাদ।