শনিবার ৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

পদ্মায় নৌকা ডুবির ৯ দিন পর নিখোজ দুই গলিত লাশ উদ্ধার

আপডেটঃ ৪:১৫ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ০৩, ২০২০

নিউজ ডেস্কঃ

ঘটনার ৯দিন পর রাজশাহীর পদ্মা নদীতে নৌকাডুবিতে নিখোঁজ হওয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী সাদিয়া ইসলাম সূচনা ও তার ফুপাতো ভাই রিমনের লাশ পাওয়া গেছে।৩ অক্টোবর শনিবার ভোরে ঘটনাস্থলেই তাদের লাশ ভেসে ওঠে।এর আগে গত ২৫ সেপ্টেম্বর বিকালে রাজশাহী নগরীর নবগঙ্গা এলাকায় মাঝি ও ১২ জন যাত্রী নিয়ে ওই নৌকাটি ডুবে যায়।এরপর স্থানীয়রা মাঝিসহ ১১ জনকে উদ্ধার করলেও দুই ভাই-বোন নিখোঁজ ছিল।দুই দিন উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে অভিযান সমাপ্ত করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। কিন্তু স্বজনরা পদ্মা ছেড়ে আসেননি।তারা ঘটনার পর থেকেই পদ্মার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে নিখোঁজদের অন্তত লাশ দুটি খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।শনিবার ভোরে তারা ঘটনাস্থলেই লাশ দুটি ভাসতে দেখেন।ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের রাজশাহীর উপ-সহকারী পরিচালক জাকির হোসেন বলেন, হয়তো লাশ দুটি কোন কিছুর নিচে চাপা পড়ে ছিল।সে কারণে খুঁজে পাওয়া যায়নি, ভেসেও ওঠেনি।তা না হলে ডুবে যাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই লাশ ভেসে ওঠে।

কিন্তু এক্ষেত্রে টানা নয়দিন সময় লাগল।তিনি বলেন, স্বজনরা লাশ পাওয়ার পর পুলিশের সহায়তায় তারা লাশ রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে নিয়ে গেছেন।সেখানে ময়নাতদন্তের পর লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে তিনি শুনেছেন।মৃত সাদিয়া ঢাকার আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (এআইইউবি) বিবিএ তৃতীয় সেমিস্টারের ছাত্রী ছিলেন।তিনি ঢাকার ধানমণ্ডি এলাকায় বসবাস করেন।আর মৃত রিমনের বাড়ি নওগাঁ।সে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিল।তারা রাজশাহীর পবা উপজেলার খোলাবোনা এলাকায় চাচা জালাল উদ্দিনের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল।তারপর নৌকাভ্রমণে পদ্মায় গিয়েছিল তারা।নৌকাডুবির ঘটনায় দামকুড়া থানায় রাজশাহী নৌ-পুলিশের পক্ষ থেকে নৌকার দুই মালিকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।নৌকায় লাইফজ্যাকেট না থাকায় তাদের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ আনা হয়েছে।নৌ-পুলিশই মামলাটির তদন্ত করছে।তবে এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

IPCS News /রির্পোট, আবুল কালাম আজাদ।