বুধবার ২১শে অক্টোবর, ২০২০ ইং ৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

কর্মস্থলে কর্তব্যরত থাকা অবস্থায় হত্যা মামলার আসামি

আপডেটঃ ২:৪৫ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০

নিউজ ডেস্কঃ

কর্মস্থলে কর্তব্যরত থাকা অবস্থায় হত্যা মামলার আসামি হয়েছেন রাজশাহী মহানগরীর  সরকারী পিএন স্কুলের সুজন আল হাসান নামের এক মালি।ওই মামলায় ঘটনার যে তারিখ ও সময় দেখানো হয়েছে সেই সময় তিনি স্কুলে দ্বায়িত্বপালন করছিলেন মর্মে প্রধান শিক্ষক এ বিষয়ে প্রত্যায়নপত্র দিয়েছেন।মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ জুলাই ২০১৯  সালে, নগরীর শাহমুখদুম থানার ভুগরইল এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিবেশিদের সংঘর্ষে সেলিম নামের এক যুবক আহত হন।পরে সে,রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

এ ঘটনায় নিহত সেলিমের পিতা আব্দুল হান্নান শাহমুখদুম  থানায় বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।মামলাটির  ৩ নম্বর আসামি করা হয়েছে মালি সুজন আল হাসানকে। মামালায় প্রায় তিনমাস জেল হাজতে থাকার পর তিনি জামিন আছেন।সরকারী পিএন বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা তৌহিদ আরার দেয়া প্রত্যায়ন পত্রে বলা হয়েছে ২০১০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত সুজন আল হাসান স্কুলের মালী পদে কর্মরত রয়েছে।গত বছরের ২৬ ও ২৭ তারিখ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ভেন্যু হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার কারণে সুজন বিদ্যালয়ে দ্বায়িত্ব পালন করছিলেন।এলাকায় যে হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে সেখানে সে কোনভাবেই জড়িত না।কারণ ঘটনার সময় সুজন  স্কুলেই ছিলন।

এদিকে ঘটনার প্রতক্ষ্য দর্শী স্থানীয় লোকজনও সুজনকে ঐদিনের ঘটনায়  আসামি  করায় অনেকটাই বিস্মিত হয়েছেন। তারা বলছেন, সুজন ঘটনাস্থলেই ছিলোই না।তারপরও তাকে আসামি করা হয়েছে ।এটা উদ্দেশ্যমূলক ভাবেসুজনকে হয়রানী করার জন্যই আসামি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অনেকেই।অন্যদিকে মামলার স্বাক্ষী শরিফ বলেন,  সুজন ঘটনার সময় ছিলোনা এবং জড়িতও নয়।  তাকে ঘটনার স্বাক্ষি করা হয়েছে।আদালতে তিনি সত্য কথাই বলবেন।একই কথা বলেছেন, ঘটনার স্বাক্ষী আব্দুল হান্নান।তিনি বলেন, আমি ওই দিন এলাকাতেই ছিলাম না, তারপরও আমাকে স্বাক্ষী করা হয়েছে। আমি লোকজনের মুখে শুনেছি সুজন ঘটনার সময় ছিলনা।এ ছাড়া মামলাটির অপরাপর স্বাক্ষী, আব্দুল হাকিম, কাইমুদ্দিন, মাইনুল, বাবু এবং সোবহানও একই কথা বলেন।ঘটনার সময় সুজনকে তারা দেখেননি।ভুক্তভোগী মালি সুজন আক্ষপ করে বলেন, ঘটনার দিন ও সময়ে সে তার কর্মস্থলে থাকলেও তাকে  উদ্দেশ্যের্মূলকভাবে ফাঁসানো হয়েছে।ঘটনার  সঠিক তদন্ত হলে সত্যটা বেরিয়ে আসবে।যারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত তারা শাস্তি হোক এটি আমিও চাই।

IPCS News /রির্পোট, আবুল কালাম আজাদ।