বুধবার ২১শে অক্টোবর, ২০২০ ইং ৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

চাল সবজি পেঁয়াজের দাম উর্দ্ধমুখি বিপাকে ক্রেতারা

আপডেটঃ ২:০৬ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০

নিউজ ডেস্কঃ

রাজশাহীতে আবারও বেড়েছে চাল, পেঁয়াজ ও সবজির দাম।মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে সবজির দাম হয়েছে লাগামছাড়া।বাজারে পেঁয়াজেরও দাম এখনও উর্দ্ধমুখি।বাড়তেই আছে চালের দাম।এ অবস্থায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।বাড়তি দাম নিয়ে ক্রেতাদের নানা অভিযোগ।তবে বিক্রেতারা বলছেন, সবকিছুর আমদানি কম। তাই বাড়ছে দাম।২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার রাজশাহী নগরীর বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ সবজির দামই বাড়তি।কোন কোন সবজি কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা ৫০ টাকা পর্যন্ত।মাত্র তিন দিন আগে আলুর দাম ছিলো কেজি প্রতি ৩০ টাকা।তবে এখন বেড়ে হয়েছে ৩৫ টাকা।ফুলকপির দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ২০ টাকা করে।ফুলকপি ১০০ টাকা কেজিতে পাওয়া গেলেও এখন ১২০ টাকায় কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

বাড়তি দাম বরবটির ও বেগুনেরও। এই দুই সবজির দাম কেজিতে ১০ টাকা করে বেড়েছে।বরবটির দাম হয়েছে ৬০ টাকা।শসা ও টমেটোর দাম কেজি প্রতি ২০ করে বেড়েছে।তিন দিনের ব্যবধানে টমেটার দাম হয়েছে ১২০ টাকা।শসার দাম হয়েছে ৮০ টাকা।বাড়তি দাম পটল ও ঢেঁড়সেরও।পটলের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ৫ টাকা করে।এখন ৩০ টাকা কেজিতে পটল কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।ঢেঁড়স ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা।

দাম বেড়েছে লেবু এবং ডুমুরেও।লেবু ১০ টাাক হালি থেকে বেড়ে হয়েছে ১৫ টাকা।এখন ডুমুর ২০ টাকা কেজি থেকে বেড়ে হয়েছে ৩৫ টাকা।মুলার দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ টাকা।তিন দিন আগে ৩০ টাকা কেজিতে পাওয়া গেলেও এখন ৪০ টাকা কেজিতে কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।সবজির দামের মতো উর্দ্ধমুখি পেঁয়াজের দাম।গত কয়েকদিন ধরেই বাড়তি পেঁয়াজের দাম।তিন দিন আগেই দেশি পেঁয়াজের দাম ছিলো কেজিতে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা।এখন সেই দাম বেড়ে হয়েছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকা।ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ৫ টাকা করে।ভারতীয় পেঁয়াজের দাম ৭০ টাকা থেকে বেড়ে ৭৫ টাকা হয়েছে।বাড়তি দাম আদা ও রসুনের।এসবের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ২০ টাকা করে।আদা ও রসুন এখন ১২০ টাকা কেজিতে কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।তবে দেশি আদার দাম আরও বেশি বাড়তি।

দেশি আদা এখন ১৬০ টাকা কেজি।সবজির মতোই বাড়তি দাম চালের।গত এক মাস ধরেই চালের দাম বাড়তি।প্রতিটি চালের দাম কেজিতে ১ টাকা থেকে ৫ টাকা পর্র্যন্ত বেড়েছে।আঠাশ চাল কেজি প্রতি ৪৮ টাকা থাকলেও দাম হয়েছে এখন ৫০ টাকা।মিনিকেটের দাম কেজি প্রতি ৩ টাকা করে বেড়ে হয়েছে ৫৩ টাকা। বাসমতির দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ৫ টাকা করে। বাসমতি এখন ৬০ টাকা কেজিতে কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।জিরাশালের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ২ টাকা করে।

এই চাল এখন ৫২ টাকা কেজিতে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা।নগরীর সাজেববাজারে এসেছিলেন তাহি হক। তিনি বলেন, কয়েকদিন ধরেই সব সবজির দাম খুব বেশি।এত বেশি দাম দিয়ে সবজি কেনা আমাদের জন্য কষ্টকর।বারবার বিক্রেতারা বলেন দাম ঠিকই আছে।কিন্তু আমরা যখন কিনতে আসছি তখনই দাম অনেক বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে।থরে থরে সবজি সাজিয়ে বসে ছিলেন বিক্রেতা আনোয়ারুল ইসলাম।তিনি বলেন, কয়েকদিন ধরেই সব সবজির দামই বেশি।সবজির আমদানি কম, তাই দাম বেড়েছে।তবে আমদানি বেশি হলেই দাম কমে যাবে।

IPCS News /রির্পোট, আবুল কালাম আজাদ।