বুধবার ২১শে অক্টোবর, ২০২০ ইং ৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

আট বছরের শিশুর নামে মামলা করেছে কারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তর!

আপডেটঃ ৫:০৬ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০

নিউজ ডেস্কঃ

দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করে জুবাইর আহমেদ।বয়স আট বছর।রাজশাহী পবা উপজেলার পূর্বপুঠিয়া পাড়া গ্রামের এই শিশুর নামেই মামলা করেছে কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর।পবা উপজেলায় পৌর মার্কেটে জুতার দোকানে প্রোপাইটারের পাশে জুবাইরের বাবা শখ করেই নাম লিখেছিলেন ছেলের।গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দোকান বন্ধ না রাখার কারণ দেখিয়ে শ্রম আইন-২০০৬ এর লঙ্ঘনের অপরাধেদ এ দুই নামেই মামলা করে কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর।পাঁচমাস পর পাওয়া সে মামলার সমনে দেখা যায়, আসামি হয়েছে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী জুবাইর।শিশুটির পরিবার বলছে, নিজ দোকানে শখের বসে ছেলের নাম লিখেই পড়েছেন বিপাকে।স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, নিত্য নৈমিত্তিক ভাবেই হেনস্তায় লিপ্ত অধিদপ্তরটি।যদিও কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর বলছে, আইন মেনেই পরিচালনা করেন কর্মকাণ্ড।মামলা দায়েরের পর প্রথমে এ বছরের ২৫ মার্চ ও পরে ২০ সেপ্টেম্বর শুনানির তারিখ দেয় শ্রম আদালত।

তাতে শিশুটির আদালতে হাজিরা দিতে যাওয়া নিয়ে বিব্রত তার পরিবার।ভুক্তভোগী শিশু জুবাইর বলেন, আমাকেও কোর্টে যাওয়া লেগেছে।সবাই আমাকে দেখে হাসছিলো। শিশু জুবাইয়েরর মামলার পরবর্তী শুনানি আগামি ৮ নভেম্বর নির্ধারণ করেছে শ্রম আদালত।জুবাইর ও তার বাবা জুনাব আলীর মতো পবা উপজেলার পৌর মার্কেটের ৮০০ দোকান মালিকের অধিকাংশের দাবি, নিয়মের মধ্যে থেকেও প্রতিনিয়ত মামলার শিকার হচ্ছেন তারা।এক দোকানি বলেন, যেদিন মামলা দিছে সেদিন আমরা দোকান খুলিওনি।দোকান বন্ধ থাকার পরও দেখি মামলার নোটিশ চলে আসে।আট বছরের একটা শিশুকে আসামি করা হাস্যকর।

আসামি পক্ষের আইনজীবি এস আলম জামান রাসেল বলছেন, শ্রম আইন মতে আট বছরের এই শিশুটি মামলায় আসামি হতে পারে না।অবশ্য এ বিষয়ে নিজেদের ভুল শিকার করছেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপ-মহাপরিদর্শক মো. মাহফুজুর রহমান ভূঁইয়া।

IPCS News /রির্পোট, আবুল কালাম আজাদ।