বুধবার ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ৭ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

আরএমপির চৌকস অফিসারদের বিতর্কিত করতে মরিয়া মাদক ব্যবসায়ীরা

আপডেটঃ ১২:৪২ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০

নিউজ ডেস্কঃ

দেশে বর্তমানে প্রায় দেড় কোটি মাদকসেবী রয়েছেন।এর মধ্যে ১ কোটি মাদকাসক্ত।তারা প্রতিদিন গড়ে ২০ কোটি টাকার মাদক সেবন করে থাকেন।সেই হিসেবে মাসে প্রায় ৬’শ কোটি টাকা মাদকে ব্যয় হয়।অন্যদিকে দেশে প্রায় ৩০ লাখ মাদক ব্যবসায়ী প্রতিদিন কমপক্ষে দু’শো কোটি টাকার মাদক কেনা-বেচা করেন।এমনই তথ্য দিয়েছে দেশের শীর্ষ এনজিওগুলো।আর এরই ধারাবাহিকতায় রাজশাহী সীমান্ত অঞ্চল হওয়ার সুবাধে পুলিশ,ডিবি,র‍্যাব ও বিজিবির তৎপরতায় অনেকটা মাদক নির্মুল করা গেলেও থেমে থাকছেনা মাদক ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম।অভিনব কায়দায় পাচার হচ্ছে মাদক।আর এই মাদক ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট এতই শক্তিশালী যে,যে সকল অফিসার মাদক ব্যবসায়ীদের মামলা দেন তারাও প্রতি নিয়ত কম হয়রানীর শিকার হননা।কখনো কখনোতো এমনও অভিযোগ নিয়ে আসা হয়- প্রশাসন মাদক উদ্ধারের নামে মাদক ব্যবসায়ীকে ধর্ষন পর্যন্ত নাকি করেছেন।তারপরও থেমে থাকেনি মাদক ব্যবসা।আর মাদক ব্যবসায়ীরা মাদক নিয়ে ধরা পড়লেও সংশ্লিষ্ট  থানার কিংবা অফিসের অফিসারদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সাজানো অভিযোগ করে তাদের ফাঁসানোর চেষ্টা চলে।

সম্প্রতি রাজশাহী বোয়ালিয়া মডেল থানার ১০ থেকে ১২ বার পুরস্কারপ্রাপ্ত এসআই উত্তমের নামের এমনই একটি অভিযোগ এনেছেন রাজশাহী মহানগরীর তালাইমারী শহিদ মিনার এলাকার ফয়সাল ওরফে তুষার।আবার অন্যদিকে রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একজন এসআইয়ের বিরুদ্ধে আনা হয় ধর্ষনের অভিযোগ,যা পরবর্তীতে মিথ্যা প্রমানিত হয়।অনুসন্ধানে জানা যায়, রাজশাহী মহানগরীর তালাইমারী শহিদ মিনার এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফয়সাল ওরফে তুষার।তার নামে ৫টি মাদক মামলা রয়েছে।এদিকে বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি নিবারন চন্দ্র বর্মন পিপিএম এর কাছে মাদক ব্যবসায়ী ফয়সাল ওরফে তুষারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান- তুষার একজন নিয়মিত মাদকসেবী এবং মাদক ব্যবসায়ী।তার নামে বোয়ালিয়া থানায় বিভিন্ন দারোগার দেয়া প্রায় ৫ টি মাদক মামলা রয়েছে।সে যে মাদক ব্যবসায়ী এ বিষয়ে বিন্দু মাত্র কোন সন্দেহ নেই।

তবে মাদক ব্যবসায়ীদের দেয়া অভিযোগের ভিত্তিতে কোন তদন্ত হবে কিনা এমন প্রশ্নে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র এডিসি রুহুল কুদ্দুস বলেন- যদি রাজশাহী মহানগর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোন সদস্য কোন অপরাধ করে থাকে তবে অবশ্যই তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।এই ক্ষেত্রে যদি  কোন কেউ যদি হয়রানীমূলক কোন পুলিশ সদস্যকে হয়রানীর শিকার করে তবে তাকেও ছাড় দেয়া হবেনা।ছবিঃ(মাদক ব্যবসায়ী তুষার)

IPCS News /রির্পোট, আবুল কালাম আজাদ।