বুধবার ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ৭ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের এক পরিদর্শকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আপডেটঃ ১২:৪২ অপরাহ্ণ | আগস্ট ১৭, ২০২০

নিউজ ডেস্কঃ

মাদক উদ্ধারের নামে, সাধারন মানষকে নানা হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে খোদ রাজশাহী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের ( আদবর) পরিদর্শক আশরাফুল হকের উপর।নিরিহ মানুষজন এমনকি মহিলা ও বৃদ্ধা পুরুষ বা বৃদ্ধা মহিলা, শিশুকেও মানষিক ও শাররিক ভাবে লাঞ্ছিত করার বহু একাধিক অবিযোগ আছে এই পরিদর্শকের উপর।গত ১১ আগষ্ট মঙ্গলবার দুপুরে, রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানার ধরমপুর পশ্চিমপাড়া (জাহাজঘাট) এলাকায় অভিযান চালায়, রাজশাহী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের পরিদর্শক আশরাফুল হক ও তার টিম।এলাকার ভানু (৬২) নামের এক বৃদ্ধার, ৩ ছেলে মাদক ব্যবসা করে অজুহাতে তার বাড়ীতে তল্লাশী চালান তিনি।ছেলেদের না পেয়ে অ-মানষিক নির্যাতন করে বৃদ্ধা মাকে।উপস্থিত জনতার সম্মুখেই চুলের মুঠি ধরে, চড় থাপ্পড় মারতে থাকে পরিদর্শক আশরাফুল ও তার সঙ্গীয়রা।স্থানীয়রা বৃদ্ধা ভানুকে জনসম্মুখে মারার কারন জানতে চাইলে, তাদের চুপকরে থাকতে বলেন।নতুবা সরকারী কাজে বাধাদেয়ার এবং মাদক মামলা দেয়ার ভয় দেখান এই পরিদর্শক।পরে স্থানীয়দের বলেন বৃদ্ধার ঘর থেকে-৪৫০ পিচ ইয়াবা ও ৫০ গ্রাম হিরোইন পাওয়ার কথা বললেও উদ্ধার কৃত মাদক দেখাইনি বা জব্দ তালিকা না করেই তাকে আটক করে নিয়ে যায়।

এলাকাবাসি বলছে ভানুর ৩ ছেলে মাদক ব্যবসা করলেও সে পরের বাসায় কাজ করে খায়।ছেলেদের সাথে তার কোন সম্পর্ক নাই।তার পরও ছেলেদের অপরাধে বয়স্ক একজন মহিলাকে জনসম্মূকে এ ভাবে নির্যাতন করা ঠিক নয়।মতিহারি থানার, মামলার তথ্য বিবরনী এ উল্লখ্য করা হয়েছে, ঐ বৃদ্ধাকে ৫০ পিচ ইয়াবা দিয়ে মামলা দেয়া হয়েছে।

স্থানীয় প্রতক্ষ্যদর্শীরা বলেন, এজাহারে উল্লেখিত স্বাক্ষিরা ঘটনার সময়,ঘটনা স্থলে ছিলোনা।তাদের প্রশ্ন, উদ্ধার কৃত আরো ৪০০ পিচ ইয়াবা ও ৫০ গ্রাম হিরোইন গেলো কোথায়।বিষয়টি জানার জন্য, পরিদর্শক আশরাফুল হকের মুঠোফোন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনি জানলেন কি করে? পরে সাংবাদিক পরিচয় পেয়, তিনি তার অফিসে চায়ের দাওয়াত দেন।বিষয়টি নিয়ে, রাজশাহী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের ডিডি, আলী আসলামের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, তিনি দীর্ঘদিন করোনায় আক্রান্ত ছিলেন।গুরুত্ব পূর্ন কাজ থাকলে অফিসে যান।বিষয়টি তার জানা নাই।

অভিযান চলাকালে কোন মহিলাকে জনসম্মুখে মারধরের আইনগত বিধান আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোন ছেলে মানুষকে মারার কোন আইন নাই, আর মহিলাদের তো প্রশ্নই উঠেনা।পরিদর্শক আশরাফুলে, বৃদ্ধা ভানুকে মারধর করার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি বিষয়টি অবগত হলাম।তদন্ত স্বাপেক্ষে ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

দেশনেত্রী শেখ হাসিনার অক্লান্ত প্রচেষ্ঠা মাদকমুক্ত দেশ গড়ার।দেশকে মাদকমুক্ত করার প্রত্যায় নিয়ে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিলেও সরকারের কিছু অসাধু কর্মকর্তার কারনে, দেশ থেকে মাদকমুক্ত সম্ভব হচ্ছেনা।এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত স্বাপেক্ষে কঠোর শাস্তির ব্যাবস্থার জন্য সংশ্লিষ্ঠ উর্ধতনদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, সুশিল সমাজ।

IPCS News /রির্পোট, আবুল কালাম আজাদ।