শুক্রবার ২১শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ ৭ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

মোটরসাইকেলের জন্যই সানিকে হত্যা আটক ২

আপডেটঃ ১২:৩২ অপরাহ্ণ | আগস্ট ১২, ২০২০

নিউজ ডেস্কঃ

শুধুমাত্র একটি ১০০ সিসির মোটরসাইকেলের জন্য রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার কলেজ  ছাত্র,সাইফ ইসলাম ওরফে সানি(২৪) হত্যা করা হয়েছিলো।সানি বানেশ্বর থান্দারপাড়া এলাকার সিরাজুলের ছেলে ও নাটোর এনএস কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ৪র্থ বর্ষের ছাত্র।তাকে ফেন্সিডিলের সাথে চেতননাশক ওষুধ খাইয়ে গলা কেটে ও হাত পায়ের রগ কেটে নৃসংশভাবে হত্যা করে।এ ঘটনায় চারঘাট থানা পুলিশ ২ জনকে আটক করেছে।আটককৃতরা হলেন, পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর থান্দারপাড়া গ্রামের মৃত খায়েরের ছেলে সাগর (২৩) ও একই এলাকার ইদল আলীর ছেলে সাকিব (২৪)।৯ আগস্ট রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায়,  রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান এসপি মো. শহীদুল্লাহ বিপিএম।সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো জানান, গত ৮ আগস্ট  সকাল আনুমানিক সোয়া ৭টার দিকে চারঘাট মডেল থানাধীন মাড়িয়া মসজিদ পাড়া গ্রামস্থ কলা বাগানের উত্তর পশ্চিম কোণে, রাস্তার ঢালের খেঁজুর গাছের নিচে সানির গলাকাটা রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা।পরে তারা স্থানীয় চারঘাট থানা পুলিশকে খবর দেয়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে থেকে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় সানির বাবা সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে চারঘাট মডেল থানায়, সাকিব ও সাগরকে আসামী করে, হত্যা মামলা দায়ের করেন।এরপর পুলিশ এজাহার নামীয় আসামী সাকিব ও সাগরকে রাতেই আটক করে।আটক কৃতদের স্বীকারাক্তুর উদ্ধৃতি দিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে আরো জানানো হয়,সাকিব কে রাত আনুমানিক সোয়া ১২টায় চারঘাট মডেল থানাধীন মৌগাছি এলাকা হতে গ্রেফতার করার পর,জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যার ঘটনার সাথে প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করাসহ তার সহযোগী আসামী সাগর এর নাম ঠিকানা পুলিশকে জানায়।তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে আসামী সাগরকে রাত পৌনে ২টার দিকে চারঘাট মডেল থানাধীন মৌগাছি বাজার এলাকা থেকে এবং গ্রেফতার করা হয়।তাদের দেয়া তথ্যানুযায়ী,পুঠিয়া থানাধীন বানেশ্বর বাজারের মোটরসাইকেল গ্যারেজ থেকে,নিহত সাইফ ইসলাম( সানি) এর মোটর সাইকেল উদ্ধার করা হয় এবং ১ নং আসামী সাকিব এর বাড়ির শয়ন ঘরের চৌকির বিছানার নিচ থেকে মোটর সাইকেলের চাবী উদ্ধার করা হয়।

তারা উভয়ই মৃত সাইফ ইসলাম সানিট,  মোটর সাইকেল আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী, ফেন্সিডিলের সহিত ঘুমের ঔষধ মিশিয়ে সানিকে কৌশলে খাইয়ে অচেতন করে এবং ধারালো ছুরি দ্বারা গলা কেটে ও হাত পায়ের রগ কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে, মোটর সাইকেল নিয়ে যায় বলে তারা স্বীকার করে।সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসপি বলেন, শুধুই মোটরসাইকেলের জন্য এই হত্যাকান্ড, না অন্য কোন কারণে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রশাসন মাহমুদুল হাসান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) ইফতে খায়ের আলম উপস্থিত ছিলেন।

IPCS News /রির্পোট, আবুল কালাম আজাদ।