শনিবার ১৫ই আগস্ট, ২০২০ ইং ৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

রাতের আঁধারে ঘোড়ার পায়ের নীচে স্মৃতি সৌধের স্তম্ভ স্থাপন ! জানে না সিটি কর্পোরেশন

আপডেটঃ ১২:২৭ অপরাহ্ণ | জুলাই ৩০, ২০২০

নিউজ ডেস্কঃ

আড়াই বছর আগে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে রাজশাহী মহানগরীর গ্রেটার রোড বাইপাস  মোড়ে, রাজশাহীর ঐতহ্য সংরক্ষন টমটম গাড়ীর ভাস্কর্যের, ঘোড়ার পায়ের নিকট কেবা কারা রাতের আঁধারে  জাতীয় স্মৃতি সৌধের স্থম্ভয় স্থাপন করেছে।এ নিয়ে নগরবাসিদের মধ্যে গুঞ্জন চললেও কিছুই জানেনা রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক) কতৃপক্ষ।নগরবাসিদের ও সচেতন সমাজের লোকজন বলছেন, নগরীর সৌন্দর্য বর্ধন ও রাজশাহীরঐতিহ্যবাহী ঘোড়াগাড়ীর, ঘোড়ার পায়ের নীচে,জাতীয় স্মৃতি সৌধ বা শহীদ মিনারের স্তম্ভটি স্থাপন  শহীদদের অসম্মানের শামিল ও ঘৃনিত কাজ।স্থানীরা জানান,কে বা কারা মাসখানেক আগে ঘোড়ার পায়ের কাছে স্বাধীনতা ও ভাষা শহীদদের স্মৃতিবিজড়িত জাতীয় স্মৃতি সৌধ বা শহীদ মিনারের স্তম্ভটি স্থাপন করে গেছেন।এর বেশি কিছু তাদের জানা নেই।স্থানীয়রা বলছেন, কে বা কারা মাসখানেক আগে ঘোড়ার পায়ের কাছে স্বাধীনতা ও ভাষা শহীদদের স্মৃতিবিজড়িত জাতীয় স্মৃতি সৌধ বা শহীদ মিনারের স্তম্ভটি স্থাপন করে গেছেন।

এর বেশি কিছু তাদের জানা নেই।তবে, এ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ কিছুই জানেনা।জানতে চাইলে রাসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী খন্দকার খায়রুল বাশার  বলেন, এ ব্যাপারে সিটি কর্পোরেশনের কাছে কোনো তথ্য নেই এবং এ ব্যাপারে তিনি কিছুই জানিনা।বিষয়টি মেয়র মহোদয়কে জানাবো।রাসিকের ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো: নুরুজ্জামান বলেন, ঐতিহ্য চত্বরটি আমার ওয়ার্ডের সীমানার মধ্যে পড়ে।কিন্তু সেখানে এমন ন্যাক্কার জনক কাজ কেউ করতে পারে ভাবতে অবাক লাগে।জানা গেছে,টমটম ভাস্কর্যটি উদ্বোধনের সময় রাসিকের তৎকালীন সচিব খন্দকার মাহাবুবুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল হক, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খন্দকার খায়রুল বাশার, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মীর শাহরিয়ার সুলতান, কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।রাসিকের প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল হক ওই সময় সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ঢালায় ও ফাইবার সিট দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই টমটম ভাস্কর্যটি।শিল্পী ফয়সাল মাহমুদ ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেছেন।ভাস্কর্যটি নির্মাণে খরচ হয়েছে ১৭ লাখ টাকা।যা নির্মাণে দুই বছর সময় লেগেছে।

IPCS News /রির্পোট, আবুল কালাম আজাদ।