শনিবার ১৫ই আগস্ট, ২০২০ ইং ৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

নারী আইনজীবিকে ধর্রষনের অভিযোগে চিকিৎসক আটক

আপডেটঃ ১২:১৭ অপরাহ্ণ | জুলাই ২৬, ২০২০

নিউজ ডেস্কঃ

রাজশাহীতে নারী আইনজীবীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে এক চিকিৎসককে আটক করেছে পুলিশ।ভুক্তভোগী ওই নারীর অভিযোগে ওই ডাক্তারকে আটক করে পুলিশ।আটক চিকিৎসকের নাম সাখাওয়াত হোসেন রানা (৪০)।সে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের চক্ষু বিশেষজ্ঞ।২৫ জুলাই শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় ৯৯৯ নম্বরে খবর পেয়ে, রাজ পড়া থানা পুলিশ তাকে আটক করে।রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস তথ্যটি নিশ্চিত করে জানান, ডা. রানার স্ত্রী-সন্তান রয়েছে।তবে ওই নারী অবিবাহিত।তার বাড়ী চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায়।আর চিকিৎসক রানার গ্রামের বাড়ি নওগাঁর পোরশা উপজেলায়।রাজশাহী নগরীর টিকাপাড়া এলাকায় তিনি ভাড়া থাকেন।ওই নারী বান্ধবীর সঙ্গে ভাড়া থাকেন নগরীর কোর্ট এলাকায়।তিনি রাজশাহী জেলা জজ আদালতে শিক্ষানবীশ আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করেন।ওই নারীর দাবি, প্রায় দেড় বছর আগে ডা. রানার সঙ্গে তার পরিচয় হয়।কিছু দিনের মধ্যেই ডা. রানা তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন।

এরপর একদিন কৌশলে তাকে ধর্ষণ করেন এবং সেই ভিডিওচিত্র ধারণ করে রাখেন।তারপর সেই ভিডিওচিত্র ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ১৭ মাস ধরে তাকে ধর্ষণ করা হচ্ছিল।ওই নারীর বরাত দিয়ে আরএমপির মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস জানান, শনিবার ২৫ জুলাই সকালে সকাল সাড়ে ১০ টায়, ডা. রানা ওই নারীর ভাড়া বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে চান।এ সময় ওই নারীর বান্ধবী পুলিশের জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বরে কল দেন এবং চিৎকার করে, আশপাশের লোকজনকে বিষয়টি জানান।চিৎকার শুনে এলাকাবাসী গিয়ে নারীকে উদ্ধার করে এবং চিকিৎসককে আটকে রেখে,পুলিশকে খবর দিলে  রাজপাড়া থানা পুলিশ তাকে আটক করে নিয়ে আসে।

ভুক্তভোগী ওই নারীকেও থানায় আনা হয়।রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদাত হোসেন খান বলেন, কিছু ভিডিওচিত্র উদ্ধার করা হয়েছে।তবে চিকিৎসক দাবি করছেন, জোর করে নয়।প্রেমের সম্পর্ক ছিল।তবে এ ঘটনায় থানায় ধর্ষণের মামলা হবে।ওই নারী বাদী হয়ে মামলাটি দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত চিকিৎসককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

IPCS News /রির্পোট, আবুল কালাম আজাদ (রাজশাহী)।