শনিবার ১৫ই আগস্ট, ২০২০ ইং ৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

ফায়ার সার্ভিসের করোনা আক্রান্ত ১৫৬ কর্মী সুস্থ হয়ে কাজে ফিরেছেন মোট আক্রান্ত ২০২ জন

আপডেটঃ ৪:৪০ অপরাহ্ণ | জুলাই ০৫, ২০২০

নিউজ ডেস্কঃ

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর মোট ১৫৬ জন করোনা আক্রান্ত কর্মী সুস্থ হয়ে নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগদান করেছেন।মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২০২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।এখনো আক্রান্ত আছেন এমন ৪৬ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেনটাইনে রাখা হয়েছে।করোনা মোট আক্রান্তদের মধ্যে ২৫ জন সদর দপ্তর সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনের, ১৯ জন তেজগাঁও ফায়ার স্টেশনের, ৩৮ জন অধিদপ্তরের বিভিন্ন শাখার, ১০ জন সদরঘাট ফায়ার স্টেশনের, ১২ জন হাজারীবাগ ফায়ার স্টেশনের, ১০ জন ঢাকা কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের, ১২ জন ডি.ই.পি.জেড ফায়ার স্টেশনের (সাভার), ৯ জন সাভার ফায়ার স্টেশনের, ১ জন লালবাগ ফায়ার স্টেশনের, ১ জন মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশনের, ২ জন মানিকগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের, ৩ জন ডেমরা ফায়ার স্টেশনের, ৪ জন খিলগাঁও ফায়ার স্টেশনের, ১ জন সোনারগাঁও ফায়ার স্টেশনের, ৭ জন মুন্সিগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের, ১ জন পলাশী ফায়ার স্টেশনের, ৬ জন সিলেট ফায়ার স্টেশনের, ১ জন বড়লেখা ও ১ জন কুলাউড়া ফায়ার স্টেশনের (সিলেট), ১ জন কেরানীগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের, ২ জন গাজীপুর ফায়ার স্টেশনের, ১ জন টঙ্গী ফায়ার স্টেশনের, ১ জন বাজিতপুর ফায়ার স্টেশনের (কিশোরগঞ্জ), ১ জন নড়াইল ফায়ার স্টেশনের, ১ জন বেনাপোল ফায়ার স্টেশনের, ১ জন মাগুরা ফায়ার স্টেশনের, ১ জন হরিনাকুন্ড ফায়ার স্টেশনের (ঝিনাইদা), ৫ জন ফুলপুর ফায়ার স্টেশনের, ১ জন টাঙ্গাইল ফায়ার স্টেশনের, ১ জন সালতা ফায়ার স্টেশনের (ফরিদপুর), ৪ জন রংপুর কন্ট্রোল রুমের, ১ জন ধনুট ফায়ার স্টেশনের (বগুড়া), ১ জন সৈয়দপুর ফায়ার স্টেশনের (নীলফামারী), ১ জন পটিয়া ফায়ার স্টেশনের, ১ জন লক্ষ্মীপুর ফায়ার স্টেশনের, ১ জন মাটিরাঙ্গা ফায়ার স্টেশনের, ২ জন কুষ্টিয়া ফায়ার স্টেশনের, ৩ জন বারিধারা ফায়ার স্টেশনের, ২ জন পোস্তগোলা ফায়ার স্টেশনের এবং ৭ জন চট্টগ্রাম ফায়ার স্টেশনের কর্মী।

আক্রান্তদের পূর্বাচল মাল্টিপারপাস ফায়ার সার্ভিস সেন্টার ও রূপগঞ্জের ইউসুফগঞ্জ স্কুল (নারায়ণগঞ্জ) সহ বিভিন্ন স্থানে কোয়ারেনটাইনে রাখা হয়েছে।এখনো যারা করোনা আক্রান্ত আছেন তাদের সকলেই ভালো আছেন।এদের মধ্যে ১৫৬ জনের পর পর দুইবার নমুনা পরীক্ষায় নেগেটিভ হওয়ায় তাদের সুস্থ ঘোষণা করা হয়েছে।আক্রান্ত অন্যদের ওপর নিবিড়ভাবে নজর রাখা হচ্ছে এবং স্বাস্থ্যের উন্নতি না হলে বা অবনতি হলে প্রয়োজনে তাদের আইসোলেশনে রাখা হবে বা হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করা হবে।

IPCS News /রির্পোট।