শনিবার ১৫ই আগস্ট, ২০২০ ইং ৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

বুড়িগঙ্গায় লঞ্চ ডুবির ১৩ ঘণ্টা পর একজন জীবিত উদ্ধার,ধাক্কা দেয়া লঞ্চ ‘জব্দ’

আপডেটঃ ২:২৭ অপরাহ্ণ | জুন ৩০, ২০২০

নিউজ ডেস্কঃ

ঢাকার পোস্তগোলা সংলগ্ন বুড়িগঙ্গা নদীতে সোমবার সকালে এমএল মর্নিং বার্ড নামের লঞ্চটি অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে লঞ্চডুবির পর এখন পর্যন্ত ৩২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।এদের মধ্যে ২১ জন পুরুষ, আটজন নারী এবং তিনজন শিশু।অলৌকিক ভাবে লঞ্চ ডুবির ১৩ ঘণ্টা পর একজন জীবিত উদ্ধার, পুরনো ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৩৫ বছর বয়সের সুমন মিয়া, ঢাকার শ্যামবাজারের কাছে বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চ ডুবির প্রায় ১৩ ঘণ্টা পর যাকে জীবিত উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।

পানির ভেতরে ১৩ ঘণ্টা কীভাবে বেঁচে থাকা সম্ভব- প্রশ্ন করা হলে ফায়ার ব্রিগেডের মহাপরিচালক বলেন, “দুর্ঘটনার সময় লঞ্চটি হঠাৎ উল্টে যায়।এভাবে হঠাৎ ‍উল্টে যাওয়ার পর লঞ্চের ভেতরে নিশ্চয়ই কোথাও ‘এয়ার পকেট’ তৈরি হয়েছে।তাই এত ঘণ্টা তিনি বেঁচে ছিলেন।সুমনের বাড়ি মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক সাংবাদিকদের বলেন, দুই লঞ্চের কর্মীদের অসতর্কতায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে তারা মনে করছেন।এদিকে, লঞ্চডুবির ঘটনায় ৭ জনকে আসামি করে গতকাল সোমবার রাতে নৌপুলিশ সদরঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ শামসুল বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা করেন।দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহজামান মামলার এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অবহেলাজনিত হত্যার অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে।মামলায়
ময়ূর-২ লঞ্চের মালিক, মাস্টার, সুকানিসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।ধাক্কা দেওয়া লঞ্চ ময়ূর-২ জব্দ করা হয়েছে।তবে লঞ্চের চালক পালিয়ে গেছেন।আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

IPCS News /রির্পোট।