বৃহস্পতিবার ৯ই জুলাই, ২০২০ ইং ২৫শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

ভ্যাকসিন তৈরির সবথেকে এগিয়ে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় , জানাল WHO

আপডেটঃ ২:০২ অপরাহ্ণ | জুন ২৯, ২০২০

অনলাইন ডেস্কঃ

AstraZeneca সংস্থা ইতিমধ্যেই তাদের তৈরি প্রতিষেধক AZD1222-র মানব দেহে ট্রায়ালের তৃতীয় পর্যায় শুরু করে দিয়েছে৷বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে প্রায় করোনা ভাইরাসের ১৪০টি প্রতিষেধক তৈরির কাজ শুরু হয়েছে৷ইতিমধ্যেই অন্তত ১৩টি করোনা ভাইরাস প্রতিষেধকের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়েছে৷তবে তার মধ্যে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়- অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং Moderna Inc সংস্থার তৈরি করা প্রতিষেধক দু’টি সবথেকে এগিয়ে রয়েছে বলে জানিয়ে দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা৷বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথন সংবাদসংস্থা রয়টার্স-কে জানিয়েছেন, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের যে পর্যায়ে এই দু’টি প্রতিষেধক রয়েছে, তাতে তারাই বাজারে আসার ক্ষেত্রে সবথেকে এগিয়ে রয়েছে৷স্বামীনাথন বলেন, ‘Moderna Inc সংস্থার যে প্রতিষেধক তৈরি করছে, তার কাজও অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে৷সম্ভবত জুলাইয়ের মাঝামাঝি সেটির ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তৃতীয় পর্যায় শুরু হবে৷কিন্তু অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রতিষেধক তৈরির কাজ যে পর্যায়ে রয়েছে, তাতে বলাই যায় যে গোটা বিশ্বের নিরিখে তাদের সামনে সুযোগ অনেক বেশি৷AstraZeneca সংস্থা ইতিমধ্যেই তাদের তৈরি প্রতিষেধক AZD1222-র মানব দেহে ট্রায়ালের তৃতীয় পর্যায় শুরু করে দিয়েছে৷ভ্যাকসিনের সরবরাহের জন্য ইতিমধ্যে দশটি চুক্তি সই করেছে সংস্থা৷স্থানীয়ভাবে এই প্রতিষেধক উৎপাদনের জন্য ১২৭ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি সই করেছে ব্রাজিল৷আগামী ডিসেম্বর এবং জানুয়ারি মাস মিলিয়ে ভ্যাকসিনের ৩ কোটি ডোজ কিনবে ব্রাজিল৷বয়স্ক মানুষ, কো- মর্বিডিটি রয়েছে এমন রোগী, স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তা কর্মীদের প্রথমে এই প্রতিষেধক দেওয়া হবে৷

AstraZeneca-এর দাবি অনুযায়ী, এই প্রতিষেধক এক বছর করোনা সংক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করতে সক্ষম৷অন্যদিকে মার্কিন সংস্থা Moderna Inc-এর তৈরি ভ্যাকসিনটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের দ্বিতীয় পর্যায়ে রয়েছে৷চলতি বছরের তৃতীয় ত্রৈমাসিকের মধ্যে এই ভ্যাকসিনের উৎপাদন শুরু হওয়ার কথা৷প্রাথমিক ভাবে ১০ কোটি ডোজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে৷এর জন্য ওষুধ উৎপাদনকারী সংস্থা ক্যাটালেন্ট-এর সঙ্গে চু্ক্তি করেছে মডার্না৷আগামী মাসেই ৩০ হাজার মানুষের শরীরে এই প্রতিষেধকের চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হয়ে যাবে৷এর পাশাপাশি ফরাসি ওষুধ সংস্থা Sanofi-র তৈরি ভ্যাকসিনের কাজও অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে৷GSK-এর সঙ্গে এই প্রতিষেধক তৈরি করছে Sanofi৷সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে এই প্রতিষেধকের প্রথম এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করতে জোর গতিতে কাজ চলছে৷এর পাশাপাশি থাইল্যান্ডেও করোনার অন্তত সাতটি প্রতিষেধক তৈরির কাজ চলছে৷তার মধ্যে একটির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল অক্টোবর মাসে শুরু হতে পারে বলে জানা গিয়েছে৷চুলালনকর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গবেষক কিয়াত রুক্সরুংথাম দাবি করেছেন, বাদরের উপরে প্রথম ইনজেকশন প্রয়োগের পর রক্তপরীক্ষার ফলে যথেষ্ট ইতিবাচক এসেছে৷সূত্র-bengali.news18

IPCS News /রির্পোট।