শনিবার ৩রা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

দিনাজপুরে ৫ দিন পর নিহত স্কুল-ছাত্রের লাশ ফেরত দিয়েছে বিএসএফ

আপডেটঃ ২:৫০ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২২

নিউজ ডেস্কঃ

দিনাজপুর:- দিনাজপুর সদর উপজেলার দাইনুর সীমান্তে গুলিতে নিহত স্কুলছাত্র মিনহাজুল ইসলাম মিনারের (১৬) লাশ পাঁচ দিন পর ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সোয়া ৫টায় দাইনুর সীমান্তের ৩১৪/৭ সাব পিলারের কাছে গেট দিয়ে মিনারের লাশ ফেরত দেয়া হয়।এ সময় বিজিবি খানপুর সীমান্ত ফাঁড়ির সুবেদার আনিসুর রহমান, সদর উপজেলার ৯ নম্বর আস্করপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যার আলহাজ্ব মোঃ আবু বকর ছিদ্দিক, দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ওসি তানভিরুল ইসলাম, পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম মাওলা, আস্করপুর ইউপি সদস্য মোঃ মাজেদুর রহমান, নিহত মিনারের পিতা  জাহাঙ্গীর আলম, ভগ্নিপতি আজগার আলী, বিজিবি দাইনুর সীমান্ত ফাঁড়ির সদস্য, ভারতের ভাদড়া হরিপুর বিএসএফ সীমান্ত ফাঁড়ির কর্মকর্তা ঈসা, গঙ্গারামপুর থানা পুলিশের এসআই পল্লব কুমারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিহতের লাশ নিজ বাড়িতে এনে মাগরিবের নামাজের পর জানাজা শেষে দাফন কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।এর আগে, সোমবার সকাল ১০টায় আন্তর্জাতিক সীমারেখা ৩১৪/৭ সাব পিলারের নিকট পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।দ্বিতীয় দফায় বিজিবি-বিএসএফের ওই পতাকা বৈঠকের পর স্কুলছাত্র মিনহাজুল ইসলাম মিনারের লাশ ফেরত দিতে রাজি হয় বিএসএফ।

তবে এ ঘটনায় নিখোঁজ ২ জনের বিষয়ে কোনও কিছুই জানাতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম মাওলা বলেন, বিএসএফ ও বিজিবির উপস্থিতিতে নিহতের লাশ আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।যেহেতু ওই দেশে ময়নাতদন্ত হয়েছে, তাই এই দেশে আর ময়নাতদন্ত হবে না।লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৭ সেপ্টেম্বর বুধবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে সদর উপজেলার দাইনুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত হয় আস্করপুর ইউনিয়নের ভিতরপাড়া এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে মিনহাজুল ইসলাম মিনার।নিহত মিনার খানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর ছাত্র ছিল।লাশ ভারতের দক্ষিণ দিনাজপুর তেলিয়াপাড়া এলাকায় ধানক্ষেতে পড়ে ছিল।

বৃহস্পতিবার বিকেলে গঙ্গারামপুর থানা পুলিশের কাছে লাশ হস্তান্তর করে বিএসএফ।এ ঘটনায় একই ইউনিয়নের খানপুর এলাকার লতিফুর রহমানের ছেলে এমদাদুল (২৮) ও সালমানের ছেলে সাগর (২০) এখনো নিখোঁজ রয়েছে।

IPCS News : Dhaka : মাহবুবুর হক খান : দিনাজপুর।