শুক্রবার ২৩শে আগস্ট, ২০১৯ ইং ৮ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

সংবাদ শিরোনামঃ

শিক্ষা সফরে কটিয়াদী শিক্ষার্থীরা আনন্দ-উল্লাসে কাটলো সারাদিন

আপডেটঃ ১:২৪ অপরাহ্ণ | জুলাই ২৫, ২০১৯

নিউজ ডেস্কঃ

জাকির হোসেন(জাকির) প্রতিনিধি কটিয়াদী,কিশোরগঞ্জ।কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলা,লোহাজুরী ইউনিয়নে পুর্বাচর পাড়াতলা গ্রামে অবস্থিত,কটিয়াদী উপজেলার  স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মুন্সী আবদুল হেকিম কারিগরি কলেজের আয়োজনে এইচএসসি প্রথম বর্ষ ও দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের আনন্দের শিক্ষা সফর জাকজমক ভাবে ২৩ জুলাই ২০১৯ খ্রি,রোজ মঙ্গলবার  অনুষ্ঠিত হয়েছে।এ বছর মুন্সী আবদুল হেকিম কারিগরি কলেজের শিক্ষা সফরের গন্তব্যের তালিকায় ছিল ঢাকার অদূরে আশুলিয়ার ফ্যান্টাসি কিংডম থিম পার্ক।কটিয়াদী বাস স্ট্যান্ডের সামনে থেকে সকাল ৮টায় শুরু হয় মুন্সী আবদুল হেকিম কারিগরি কলেজের শিক্ষার্থীদের আনন্দ ভ্রমণ। শিক্ষা সফরের আনন্দে ২শতাধিক শিক্ষার্থীদের কারোই চোখে ঘুম ছিলনা। তবে কটিয়াদী বাসস্ট্যান্ড থেকে ভোর ৬টায় গাড়ি ছাড়ার কথা থাকলেও সবাই রেডি হয়ে বাসের কাছে আসতেই ভোড় ৮টা বেজে যায়।

কটিয়াদী থেকে ঢাকার,ফ্যান্টাসী কিংডম হিম পার্কর উদ্দেশ্যে গাড়ি  ছাড়ার পর সকাল সাড়ে ১০টায় চলে আসে সকালের নাস্তা। বাসেই বসেই নাস্তার কাজ সম্পন্ন করে শিক্ষার্থীরা। নাস্তা সেড়ে আরো ২ ঘন্টা বাসে হৈ হুল্লেড় শেষে দুপুর সাড়ে ১২টায় আশুলিয়ার ফ্যান্টাসি কিংডমম থিম পার্কের আঙ্গিনায় বাস থামে। আবারো চিরাচরিত আওয়াজ দিয়েই সবাই নেমে যান বাস থেকে।পরে ফ্যান্টাসি কিংডমের ভিতরে প্রবেশ করার জন্য টিকিট সংগ্রহ করেন প্রতিষ্ঠানের স্বনামধন্য অধ্যক্ষ ফজলুল হক জোয়ারদার আলমগীর। তার বক্তব্য শুনে যার যার টিকিট হাতে নিয়ে যে যার মত করে একেবারে এই দৃষ্টিনন্দন থিম পার্কখ্যাত জামগড়ার ফ্যান্টাসি কিংডমের বিভিন্ন রাইট গুলোতে ঘুরতে ছড়িয়ে পড়েন।  দুই বর্ষের প্রায় ২শতাধিক শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন খাঁচায় ভরা বিষন্নমনা পাখিরা যেন এদিন মুক্তি পেয়েছে। ফ্যান্টাসি কিংডম এর প্রথমে গেইট দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করার পর শিক্ষার্থীরা হৈ হুল্লেড় মেতে উঠে। অন্যদিকে অনেককে দেখা যায় ক্যামেরাম্যানের ভূমিকায়। তবে অন্যের ছবি তোলার জন্য নয়। ভাগাভাগি করে নিজেদের ছবি তোলা নিয়ে। যে যার মতে করে পার্কের ভিতরে রাইট গুলোতে গুরতে দেখা গেছে। পরে দুপুর ২ টায় খবার সময় হয়, খাবারের ব্যবস্তা করা হয় পার্কের একটি হোটেলে, সেই দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থীদের খাবার নিয়ে যেতে হয় নির্ধারিত হোটেলের স্থানে। খাবার-দাবার শেষে আবারো ঘুরাফেরায় ব্যস্ত হয়ে পরে শিক্ষার্থীরা।

দুপুর ৩ টার দিকে অনেক শিক্ষার্থীদের  পার্কের ওয়াটার কিংডম এর ভিতরে ঢুকতে দেখাগেছে -ওয়াটার কিংডমের ভিতরে প্রবেশ না করলে বুঝা যাবেনা ভিতরে কি রয়েছে। ভিতরে পানি আর পানি, নীল রঙের পানি, সবুজ রঙের পানি, পানির ঝরনা,বৃষ্টির পানি, এ যেন এক পানির দেশ।      ঘুরাফেরার শেষে বিকাল ৫টায় ফ্যান্টাসি কিংডম ত্যাগ করে কটিয়াদীরের উদ্যেশে রওনা হয়। ফেরার পথে শিক্ষার্থীরা তাদের শেষ আনন্দ, উল্লাস আর হৈ হুল্লেড় করে পার করে।
পরে রাত সাড়ে ৯টায় কটিয়াদী এসে পৌঁছায় মুন্সী আবদুল হেকিম কারিগরি কলেজের শিক্ষার্থীরা।
অধ্যক্ষ ফজলুল হক জোয়ারদার আলমগীর বললেন, ভ্রমণের এই কয়েক ঘন্টায় আমাদের কাছে মনে হয়েছিল জীবনের সর্বোত্তম সুখের মুহূর্ত।

IPCS News /রির্পোট