শনিবার ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং ৬ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

কিশোরগঞ্জ কটিয়াদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ডা.মুশতাকুর রহমান চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত।

আপডেটঃ ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ | জুন ১৯, ২০১৯

নিউজ ডেস্কঃ

তৃতীয় ধাপে স্থগিত হওয়া কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের ডা. মোহাম্মদ মুশতাকুর রহমান।ভাইস চেয়াম্যান নির্বাচিত হয়েছেন রেজাউল করিম শিকদার ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন রোকসানা। মঙ্গলবার (১৮ জুন) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে (ঘোড়া) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা হিসেবে পরিচিত ডা.মোহাম্মদ মুশতাকুর রহমান।এবং ভাইস  চেয়ারম্যান পদে (তালা) প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হয়েছেন মোঃরেজাউল করিম শিকদার ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান(ফুটবল) প্রতীকে নিয়ে লড়ে জয়ী হয়েছেন মোছাঃরোকসানা আক্তার।উপজেলার ৮৯টি কেন্দ্রের সবকটি থেকে প্রাপ্ত ফলাফলে চেয়ারম্যান পদের ছয় প্রার্থীর মধ্যে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী
নেতা ডা. মোহাম্মদ মুশতাকুর রহমান (ঘোড়া) ১৬ হাজার ৩৮০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগের সহ তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক তানিয়া সুলতানা হ্যাপী (নৌকা) পেয়েছেন ১৫ হাজার ৩৭০ ভোট।এক হাজার ১০ ভোটের ব্যবধানে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাজিত করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন ডা. মোহাম্মদ মুশতাকুর রহমান।
অন্য চার প্রার্থীর মধ্যে আওয়ামী লীগের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান লায়ন মো. আলী আকবর (দোয়াত-কলম) ১২ হাজার ৪ ভোট, আওয়ামী লীগের অপর বিদ্রোহী মো. আলতাফ উদ্দীন (মোটর সাইকেল) ১১ হাজার ৪১২ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার আনার (আনারস) ২৪১ ভোট এবং জাকের পার্টির প্রার্থী শহীদুজ্জামান স্বপন (গোলাপ ফুল) ২৭৯ ভোট পেয়েছেন।অন্যদিকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে রেজাউল করিম শিকদার (তালা) বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১৮ হাজার ৬৪৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. বকুল মিঞা (টিউবওয়েল) পেয়েছেন ১৬ হাজার ৭৮৬ ভোট।

এছাড়া মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে রোকসানা (ফুটবল) বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২৬ হাজার ৮৩৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাথী বেগম (কলস) পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৩৯ ভোট।এর আগে মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকাল ৯টা থেকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়।তবে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল হতাশা জনক,ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্যে কোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সরেজমিন কেন্দ্রে কেন্দ্রে ঘুরে ভোটার উপস্থিতি কম দেখা গেছে।তবে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রতিটি কেন্দ্রেই পর্যাপ্ত পুলিশ ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া র‌্যাব, বিজিবি ও পুলিশের স্ট্রাইকিং ফোর্সকে টহল দিতে দেখা গেছে। ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল টিমও নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল।

IPCS News/কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি-জাকির